রাজনীতিকে প্রকৃত রাজনীতিবিদ ও মেধাবীদের হাতে ফিরিয়ে আনার জন্য সাংবাদিকদের কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। তিনি বলেছেন, সাংবাদিক আতাউস সামাদ ছিলেন সম্পূর্ণ স্বাধীনচেতা। কোনো ধরনের নষ্ট রাজনীতি তাঁকে কখনো স্পর্শ বা প্রভাবিত করতে পারেনি।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে বরেণ্য সাংবাদিক আতাউস সামাদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্টস (বিএজে) আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, বর্তমানে আমরা একটি নষ্ট রাজনীতির মধ্যে রয়েছি, যেখানে রাজনীতি ও গণতন্ত্র এতদিনেও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। স্বাধীনতার সময় থেকেই এই বিচ্যুতি ঘটছে। এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করার কথা থাকলেও, তারাও রাজনীতির সংক্রামক ব্যাধিতে জড়িয়ে পড়েছেন। এর ফলে সমাজ ও গণতন্ত্রের বিকশিত হওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সতেরো বছর পর দেশ আবার একটি গণতান্ত্রিক পথে যাত্রা শুরু করেছে। এই যাত্রাপথে ভুল-ত্রুটি থাকলেও, চূড়ান্তভাবে এই গণতন্ত্রকে ধরে রাখতে হবে এবং সরকারের পরিবর্তন যেন নিয়মতান্ত্রিক পথেই নিশ্চিত হয়, সেদিকে সচেষ্ট থাকতে হবে।
বিএজে’র সভাপতি এম আবদুল্লাহ’র সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বুরহান উদ্দিন ফয়সালের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই স্মরণসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইশতিয়াক আজিজ উলফাৎ, এনটিভির সাবেক বার্তা প্রধান খায়রুল আনোয়ার মুকুল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও টাইম অব বাংলাদেশে-এর উপদেষ্টা সম্পাদক ইলিয়াস খান, বিশিষ্ট লেখক ও টকশো ব্যক্তিত্ব সাখাওয়াত হোসেন শায়ন্ত, ডিইউজে’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, বিএফইউজে’র সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন, ডিইউজে’র সাবেক নেতা বেলায়েত হোসেন, আমিরুল ইসলাম অমর এবং বিটিভির সাংবাদিক মোরশেদ আলম প্রিন্স।






















