Dhaka ০৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ভারতের আচরণে সুসম্পর্কের লক্ষণ নেই: জাতীয় সংসদের স্পিকার

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:৫১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ মন্তব্য করেছেন যে, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে, স্বামী-স্ত্রীর মতো নয়।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা থেকে ঢাকায় রওনা দেওয়ার আগে সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। নিজের নির্বাচনী এলাকা ভোলার লালমোহন ও তজুমদ্দিনে তিন দিনের সরকারি সফর শেষে তিনি সকালে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্কের প্রয়োজন রয়েছে। তবে অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেভাবে ‘স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের’ কথা বলেছিলেন, বাংলাদেশের সেই সম্পর্কের প্রয়োজন নেই। ভারতের সঙ্গে আমরা সমমর্যাদার ভিত্তিতে যে ধরনের সম্পর্কের প্রয়োজন, তেমনই সুসম্পর্ক চাই।

দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ভারত সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের কিছু কিছু বিষয়ে আপত্তি রয়েছে। বিশেষ করে, পতিত সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে নিজ দেশে আশ্রয় দিয়েছে ভারত এবং সেখান থেকে তাকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে, যা কোনো প্রতিবেশীসুলভ আচরণ নয়।

ভারতের অবস্থান প্রসঙ্গে স্পিকার আরও বলেন, ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা দরকার, কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা যে সুসম্পর্ক চায়—এমন কোনো ইতিবাচক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। কেবলমাত্র দূত বা কূটনৈতিক পর্যায়ে কথাবার্তাই সীমাবদ্ধ রয়েছে। ব্রিকসের বিষয়েও ভারত সরকার বাংলাদেশকে খোলামেলা কিছু জানায়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এ সময় ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর, জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ কাওছারসহ প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ভারতের আচরণে সুসম্পর্কের লক্ষণ নেই: জাতীয় সংসদের স্পিকার

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:৫১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ মন্তব্য করেছেন যে, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে, স্বামী-স্ত্রীর মতো নয়।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা থেকে ঢাকায় রওনা দেওয়ার আগে সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। নিজের নির্বাচনী এলাকা ভোলার লালমোহন ও তজুমদ্দিনে তিন দিনের সরকারি সফর শেষে তিনি সকালে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্কের প্রয়োজন রয়েছে। তবে অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেভাবে ‘স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের’ কথা বলেছিলেন, বাংলাদেশের সেই সম্পর্কের প্রয়োজন নেই। ভারতের সঙ্গে আমরা সমমর্যাদার ভিত্তিতে যে ধরনের সম্পর্কের প্রয়োজন, তেমনই সুসম্পর্ক চাই।

দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ভারত সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের কিছু কিছু বিষয়ে আপত্তি রয়েছে। বিশেষ করে, পতিত সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে নিজ দেশে আশ্রয় দিয়েছে ভারত এবং সেখান থেকে তাকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে, যা কোনো প্রতিবেশীসুলভ আচরণ নয়।

ভারতের অবস্থান প্রসঙ্গে স্পিকার আরও বলেন, ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা দরকার, কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা যে সুসম্পর্ক চায়—এমন কোনো ইতিবাচক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। কেবলমাত্র দূত বা কূটনৈতিক পর্যায়ে কথাবার্তাই সীমাবদ্ধ রয়েছে। ব্রিকসের বিষয়েও ভারত সরকার বাংলাদেশকে খোলামেলা কিছু জানায়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এ সময় ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর, জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ কাওছারসহ প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।