Dhaka ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সাভারে এপিসি থেকে ফেলে ইয়ামিন হত্যা: অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৮ অক্টোবর

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:০৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৫ বার দেখা হয়েছে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ঢাকার সাভারে সাঁজোয়া যান (এপিসি) থেকে ফেলে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) শিক্ষার্থী আসহাবুল ইয়ামিনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন। আগামী ১৮ অক্টোবর এ মামলার অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা যৌথ হামলা চালায়। দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে আন্দোলনরত এমআইএসটির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আসহাবুল ইয়ামিনকে ধরে নিয়ে বুকের বাঁ পাশে গুলি করে পুলিশ। গুলিতে তার শরীর স্প্লিন্টারে বিদ্ধ হয়। এরপর আহত ইয়ামিনকে টেনে পুলিশের সাঁজোয়া যানের ওপরে ফেলে রেখে আন্দোলনকারীদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে গাড়িটি ঘোরাতে থাকেন দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা।

পরবর্তীতে প্রায় মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে রাস্তা থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয়। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যকে বের করে ইয়ামিনের পায়ে পুনরায় গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হলে, ওই সদস্য তাকে মৃত ভেবে গুলি না করে সড়কের ওপর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে টেনে নিয়ে আইল্যান্ডের পাশে ফেলে রাখেন। তখনো ইয়ামিনকে নিঃশ্বাস নিতে দেখা গেলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ হত্যা মামলায় মোট ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকা ৬ জন পুলিশ সদস্য হলেন— ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, এএসআই মোহাম্মদ আলী, নায়েক সুহেল মিয়া, কনস্টেবল মাহফুজ মিয়া ও মিজানুর রহমান।

মামলার অপর ১৩ জন আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। পলাতকরা হলেন— ঢাকা-১৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান রিপন, সাভার থানার সাবেক ওসি শাহজামান, আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এএফএম সায়েদ, সাভার উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজিব, মো. আতিকুর রহমান, ফখরুল আলম সমর, মেহেদী হাসান তুষার, রাজু আহম্মেদ, মো. ফরিদ, জামান খান এবং শরীফ আশরাফুল আলম বাবুল।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সাভারে এপিসি থেকে ফেলে ইয়ামিন হত্যা: অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৮ অক্টোবর

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:০৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ঢাকার সাভারে সাঁজোয়া যান (এপিসি) থেকে ফেলে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) শিক্ষার্থী আসহাবুল ইয়ামিনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন। আগামী ১৮ অক্টোবর এ মামলার অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা যৌথ হামলা চালায়। দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে আন্দোলনরত এমআইএসটির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আসহাবুল ইয়ামিনকে ধরে নিয়ে বুকের বাঁ পাশে গুলি করে পুলিশ। গুলিতে তার শরীর স্প্লিন্টারে বিদ্ধ হয়। এরপর আহত ইয়ামিনকে টেনে পুলিশের সাঁজোয়া যানের ওপরে ফেলে রেখে আন্দোলনকারীদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে গাড়িটি ঘোরাতে থাকেন দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা।

পরবর্তীতে প্রায় মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে রাস্তা থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয়। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যকে বের করে ইয়ামিনের পায়ে পুনরায় গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হলে, ওই সদস্য তাকে মৃত ভেবে গুলি না করে সড়কের ওপর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে টেনে নিয়ে আইল্যান্ডের পাশে ফেলে রাখেন। তখনো ইয়ামিনকে নিঃশ্বাস নিতে দেখা গেলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ হত্যা মামলায় মোট ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকা ৬ জন পুলিশ সদস্য হলেন— ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, এএসআই মোহাম্মদ আলী, নায়েক সুহেল মিয়া, কনস্টেবল মাহফুজ মিয়া ও মিজানুর রহমান।

মামলার অপর ১৩ জন আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। পলাতকরা হলেন— ঢাকা-১৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান রিপন, সাভার থানার সাবেক ওসি শাহজামান, আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এএফএম সায়েদ, সাভার উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজিব, মো. আতিকুর রহমান, ফখরুল আলম সমর, মেহেদী হাসান তুষার, রাজু আহম্মেদ, মো. ফরিদ, জামান খান এবং শরীফ আশরাফুল আলম বাবুল।