জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) বারহাম সালেহ। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল’ হোটেলে এই উচ্চপর্যায়ের সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
দ্বিপক্ষীয় এই সাক্ষাতকালে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই ও স্থায়ী সমাধান বের করা, মিয়ানমারে প্রথাগতভাবে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং এই লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ও সমন্বিত ভূমিকা সুসংহত করার বিষয়ে বিস্তর আলোচনা হয়।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন, সম্পূর্ণ মানবিক দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। তবে এই মানবিক সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য রোহিঙ্গাদের নিজস্ব মাতৃভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে বিশ্ব সম্প্রদায়কে আরও বেশি কার্যকর, বাস্তবমুখী ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করার আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনায় প্রবাসে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সার্বিক মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি আসল প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে বৈশ্বিক কূটনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এ সময় বিপুলসংখ্যক আশ্রয়হীন মানুষকে দীর্ঘ দিন ধরে আশ্রয় দিয়ে উদারতার পরিচয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহ। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা ও যৌথ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।






















