মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপছন্দের সংবাদ প্রকাশের দায়ে কয়েকটি প্রথম সারির গণমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত আইনি লড়াইয়ের মুখে পড়তে যাচ্ছে। সিএনএন, পলিটিকো ও এমএসএনও-র মতো সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রবেশাধিকার সীমিত করার এই পদক্ষেপকে মার্কিন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।
শুক্রবার ‘ফেক নিউজ’ বা মিথ্যা সংবাদ প্রচারের অভিযোগ তুলে এসব সংবাদমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসের সংবাদ সংগ্রহে নিষিদ্ধ করা হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো সংবাদমাধ্যমের আদর্শ বা দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন হওয়ার কারণে তাদের সরকারি প্রবেশাধিকার বন্ধ করা বাক-স্বাধীনতার পরিপন্থী। মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক লুসি ডালগ্লিশের মতে, সরকারি সুযোগ দেওয়ার পর মতাদর্শগত কারণে তা কেড়ে নেওয়া আইনগতভাবে টেকসই হবে না।
এদিকে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নিষিদ্ধ সংবাদমাধ্যমগুলো চাইলে বাইরে থেকে তাদের কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। তবে ওভাল অফিসে প্রবেশাধিকার পাওয়া তাদের মৌলিক কোনো অধিকার নয়। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পরিবর্তে এসব মাধ্যম প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে এরই মধ্যে ওয়াশিংটন ডিসির একটি ফেডারেল আদালতে মামলা দায়ের করেছে সিএনএনসহ সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলো। মামলায় তারা অভিযোগ করেছে, মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে সুরক্ষিত মতপ্রকাশের অধিকার খর্ব করা হয়েছে। প্রতিশোধমূলক এই ব্যবস্থা গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলছে বলেও তারা দাবি করেছে।























