Dhaka ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

হোয়াইট হাউসে গণমাধ্যম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত: আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ট্রাম্প প্রশাসন

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৯ বার দেখা হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপছন্দের সংবাদ প্রকাশের দায়ে কয়েকটি প্রথম সারির গণমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত আইনি লড়াইয়ের মুখে পড়তে যাচ্ছে। সিএনএন, পলিটিকো ও এমএসএনও-র মতো সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রবেশাধিকার সীমিত করার এই পদক্ষেপকে মার্কিন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

শুক্রবার ‘ফেক নিউজ’ বা মিথ্যা সংবাদ প্রচারের অভিযোগ তুলে এসব সংবাদমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসের সংবাদ সংগ্রহে নিষিদ্ধ করা হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো সংবাদমাধ্যমের আদর্শ বা দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন হওয়ার কারণে তাদের সরকারি প্রবেশাধিকার বন্ধ করা বাক-স্বাধীনতার পরিপন্থী। মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক লুসি ডালগ্লিশের মতে, সরকারি সুযোগ দেওয়ার পর মতাদর্শগত কারণে তা কেড়ে নেওয়া আইনগতভাবে টেকসই হবে না।

এদিকে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নিষিদ্ধ সংবাদমাধ্যমগুলো চাইলে বাইরে থেকে তাদের কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। তবে ওভাল অফিসে প্রবেশাধিকার পাওয়া তাদের মৌলিক কোনো অধিকার নয়। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পরিবর্তে এসব মাধ্যম প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে এরই মধ্যে ওয়াশিংটন ডিসির একটি ফেডারেল আদালতে মামলা দায়ের করেছে সিএনএনসহ সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলো। মামলায় তারা অভিযোগ করেছে, মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে সুরক্ষিত মতপ্রকাশের অধিকার খর্ব করা হয়েছে। প্রতিশোধমূলক এই ব্যবস্থা গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলছে বলেও তারা দাবি করেছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

হোয়াইট হাউসে গণমাধ্যম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত: আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ট্রাম্প প্রশাসন

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপছন্দের সংবাদ প্রকাশের দায়ে কয়েকটি প্রথম সারির গণমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত আইনি লড়াইয়ের মুখে পড়তে যাচ্ছে। সিএনএন, পলিটিকো ও এমএসএনও-র মতো সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রবেশাধিকার সীমিত করার এই পদক্ষেপকে মার্কিন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

শুক্রবার ‘ফেক নিউজ’ বা মিথ্যা সংবাদ প্রচারের অভিযোগ তুলে এসব সংবাদমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসের সংবাদ সংগ্রহে নিষিদ্ধ করা হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো সংবাদমাধ্যমের আদর্শ বা দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন হওয়ার কারণে তাদের সরকারি প্রবেশাধিকার বন্ধ করা বাক-স্বাধীনতার পরিপন্থী। মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক লুসি ডালগ্লিশের মতে, সরকারি সুযোগ দেওয়ার পর মতাদর্শগত কারণে তা কেড়ে নেওয়া আইনগতভাবে টেকসই হবে না।

এদিকে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নিষিদ্ধ সংবাদমাধ্যমগুলো চাইলে বাইরে থেকে তাদের কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। তবে ওভাল অফিসে প্রবেশাধিকার পাওয়া তাদের মৌলিক কোনো অধিকার নয়। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পরিবর্তে এসব মাধ্যম প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে এরই মধ্যে ওয়াশিংটন ডিসির একটি ফেডারেল আদালতে মামলা দায়ের করেছে সিএনএনসহ সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলো। মামলায় তারা অভিযোগ করেছে, মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে সুরক্ষিত মতপ্রকাশের অধিকার খর্ব করা হয়েছে। প্রতিশোধমূলক এই ব্যবস্থা গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলছে বলেও তারা দাবি করেছে।