Dhaka ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয় তোরণে সামরিক কমপ্লেক্সের পরিকল্পনা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:১৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রস্তাবিত বিশাল বিজয় তোরণকে একটি ‘উচ্চমানের সামরিক কমপ্লেক্সে’ রূপ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, মার্কিন সামরিক বাহিনীর অনুরোধেই এই তোরণের নকশায় ড্রোন, স্নাইপারদের গোলাবারুদ এবং ছাদ ও চত্বরে বিশেষ স্নাইপার সুবিধা রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, প্রায় ২৫০ ফুট উঁচু এই স্থাপনায় বিপুল পরিমাণ স্নাইপার গোলাবারুদ সংরক্ষণ ও দ্রুত ব্যবহারের ব্যবস্থা থাকবে। তিনি আরও দাবি করেন, এ ধরনের স্থাপনা বিশ্বের আর কোথাও নেই।

ওয়াশিংটনের মেমোরিয়াল ব্রিজের কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকায় এই বিজয় তোরণ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর অবস্থান নিয়ে ইতোমধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তোরণটি নির্মিত হলে লিংকন মেমোরিয়াল, আর্লিংটন ন্যাশনাল সেমেটারি এবং আশপাশের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মধ্যকার দৃশ্যমান সম্পর্ক ও ঐতিহাসিক দৃশ্যপটে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষও এই প্রকল্পটি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের একটি পরিকল্পনা নথিতে বলা হয়েছে, তোরণটি নির্মাণের ফলে আশপাশের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। কর্তৃপক্ষ আরও বিস্তারিত পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছে।

তোরণটির নির্ধারিত স্থানটি রোনাল্ড রিগ্যান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল বিমানবন্দরের কাছাকাছি হওয়ায় এর প্রভাব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্যদের কেউ কেউ বিমান চলাচলের নিরাপত্তা ও রাজধানীর আকাশসীমা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

প্রকল্পটি নিয়ে সংরক্ষণবাদী সংগঠন, সাবেক সেনাসদস্য এবং আইনপ্রণেতাদের মধ্যেও আপত্তি রয়েছে। কয়েকজন সাবেক সেনাসদস্য তোরণ নির্মাণ বন্ধের দাবিতে আইনি পদক্ষেপও নিয়েছেন। তাদের উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে আর্লিংটন ন্যাশনাল সেমেটারি ও অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থাপনার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব।

ওয়াশিংটনে এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেওয়া একাধিক বড় নির্মাণ প্রকল্পের একটি। রাজধানীর সৌন্দর্য ও স্থাপত্যগত মর্যাদা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প প্রশাসন এসব প্রকল্পের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এর মধ্যে হোয়াইট হাউসের একটি বড় বলরুম নির্মাণ, লিংকন মেমোরিয়ালের রিফ্লেক্টিং পুল সংস্কার এবং কেনেডি সেন্টার সংস্কারের পরিকল্পনাও রয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয় তোরণে সামরিক কমপ্লেক্সের পরিকল্পনা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:১৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রস্তাবিত বিশাল বিজয় তোরণকে একটি ‘উচ্চমানের সামরিক কমপ্লেক্সে’ রূপ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, মার্কিন সামরিক বাহিনীর অনুরোধেই এই তোরণের নকশায় ড্রোন, স্নাইপারদের গোলাবারুদ এবং ছাদ ও চত্বরে বিশেষ স্নাইপার সুবিধা রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, প্রায় ২৫০ ফুট উঁচু এই স্থাপনায় বিপুল পরিমাণ স্নাইপার গোলাবারুদ সংরক্ষণ ও দ্রুত ব্যবহারের ব্যবস্থা থাকবে। তিনি আরও দাবি করেন, এ ধরনের স্থাপনা বিশ্বের আর কোথাও নেই।

ওয়াশিংটনের মেমোরিয়াল ব্রিজের কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকায় এই বিজয় তোরণ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর অবস্থান নিয়ে ইতোমধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তোরণটি নির্মিত হলে লিংকন মেমোরিয়াল, আর্লিংটন ন্যাশনাল সেমেটারি এবং আশপাশের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মধ্যকার দৃশ্যমান সম্পর্ক ও ঐতিহাসিক দৃশ্যপটে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষও এই প্রকল্পটি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের একটি পরিকল্পনা নথিতে বলা হয়েছে, তোরণটি নির্মাণের ফলে আশপাশের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। কর্তৃপক্ষ আরও বিস্তারিত পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছে।

তোরণটির নির্ধারিত স্থানটি রোনাল্ড রিগ্যান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল বিমানবন্দরের কাছাকাছি হওয়ায় এর প্রভাব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্যদের কেউ কেউ বিমান চলাচলের নিরাপত্তা ও রাজধানীর আকাশসীমা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

প্রকল্পটি নিয়ে সংরক্ষণবাদী সংগঠন, সাবেক সেনাসদস্য এবং আইনপ্রণেতাদের মধ্যেও আপত্তি রয়েছে। কয়েকজন সাবেক সেনাসদস্য তোরণ নির্মাণ বন্ধের দাবিতে আইনি পদক্ষেপও নিয়েছেন। তাদের উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে আর্লিংটন ন্যাশনাল সেমেটারি ও অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থাপনার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব।

ওয়াশিংটনে এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেওয়া একাধিক বড় নির্মাণ প্রকল্পের একটি। রাজধানীর সৌন্দর্য ও স্থাপত্যগত মর্যাদা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প প্রশাসন এসব প্রকল্পের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এর মধ্যে হোয়াইট হাউসের একটি বড় বলরুম নির্মাণ, লিংকন মেমোরিয়ালের রিফ্লেক্টিং পুল সংস্কার এবং কেনেডি সেন্টার সংস্কারের পরিকল্পনাও রয়েছে।