সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দুটি প্রধান শহর আভা ও খামিস মুসাইত এবং পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী তাইফ শহরে স্বল্প সময়ের জন্য উচ্চমানের জরুরি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছিল দেশটির সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ।
তবে জরুরি বার্তা জারির কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই তিন নির্দিষ্ট অঞ্চলে আর কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি বা বিপদ নেই উল্লেখ করে আনুষ্ঠানিকভাবে শঙ্কা কেটে যাওয়ার চূড়ান্ত ঘোষণা প্রদান করা হয়।
সৌদি সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে প্রকাশিত পৃথক প্রাতিষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের সমন্বিত ‘জাতীয় জরুরি সতর্কতা প্ল্যাটফর্ম’-এর প্রযুক্তিগত মাধ্যমের দ্বারা প্রাথমিক সতর্কবার্তাটি জারি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও নিরাপদ হওয়ায় সিভিল ডিফেন্স নিশ্চিত করে যে, আভা, খামিস মুসাইত এবং তাইফ শহরের সব ধরনের বিপদের শঙ্কা পুরোপুরি কেটে গেছে।
বিপদ কেটে যাওয়ার বার্তার পাশাপাশি স্থানীয় নাগরিক ও প্রবাসী বাসিন্দাদের সিভিল ডিফেন্সের সার্বিক নিরাপত্তামূলক নির্দেশনাবলী কঠোরভাবে মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত স্থানে অযথা জনসমাগম করা কিংবা অনুমতি ছাড়া কোনো ঘটনার ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তবে সিভিল ডিফেন্সের প্রকাশিত বিবৃতিতে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো ধরনের হুমকির মূল কারণ বা প্রকৃতি প্রকাশ করা হয়নি। তদুপরি, এই ঘটনার জেরে কোনো মানুষ হতাহত হওয়া কিংবা কোনো বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার খবরও পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সমর্থনে গঠিত সৌদি নেতৃত্বাধীন যৌথ সামরিক জোট এবং হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে চলমান সাম্প্রতিক সীমান্ত সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটেই আগাম পদক্ষেপ হিসেবে এই সতর্কতাটি জারি করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে হুতি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের রাজধানী সানাসহ দেশটির একটি বিশাল অংশ অবৈধভাবে দখল করে নেয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের মার্চ মাস থেকে হুতিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের বৈধ সরকারকে পুনরুদ্ধারে একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে সৌদি আরব।























