একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলা এবং সংশ্লিষ্ট পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি)। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের এমন কর্মকাণ্ডকে স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত বলে মন্তব্য করেছে সংগঠনটি।
রোববার এক যৌথ বিবৃতিতে এনইসির সভাপতি শফিক রেহমান এবং কোষাধ্যক্ষ শফিকুল আলম বলেন, সরকারের একটি অত্যন্ত দায়িত্বশীল পদে অধিষ্ঠিত থেকে সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলার দৃশ্য ভিডিও করে প্রচার করা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। এ ধরনের আচরণ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মৌলিক চেতনার পরিপন্থী। কোনো প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে আপত্তি থাকলে নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ লিপি পাঠানো, প্রেস কাউন্সিলে আবেদন কিংবা প্রচলিত আইনের আশ্রয় নেওয়া যেত। তা না করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন উসকানিমূলক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ও আম-জনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান একটি পুরোনো খবরকে কেন্দ্র করে সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন, যা প্রকারান্তরে সম্পাদককে সরাসরি হুমকির শামিল। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ যেভাবে পত্রিকা অফিসে হামলা ও সংবাদপত্র পোড়ানোর মতো সংস্কৃতি কায়েম করেছিল, বর্তমান নির্বাচিত সরকারের সময়েও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের থেকে একই ধরনের আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার্থে অবিলম্বে এ ধরনের উসকানিমূলক তৎপরতা বন্ধের আহ্বান জানান তারা।






















