Dhaka ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ইতালিতে সামরিক ব্যয় কমিয়ে জনসেবায় বিনিয়োগের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ, সংঘর্ষও

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

ইতালিতে মজুরি বৃদ্ধি না হওয়া, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিক ও শিক্ষার্থীরা। রাজধানী রোমসহ ৬০টিরও বেশি শহরে ছড়িয়ে পড়া এই আন্দোলনে কৃষক, ট্যাক্সিচালক, ট্রাকচালক এবং আবাসন অধিকারকর্মীরাও যোগ দেন।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে মানুষের আয় ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও আবাসন খাতে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো। একইসঙ্গে সামরিক খাতে ব্যয় কমিয়ে জনকল্যাণমূলক কাজে সেই অর্থ বরাদ্দের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

তৃণমূল শ্রমিক সংগঠন ইউনিওনে সিনদাকালে দি বেসে (ইউএসবি) এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে ২৪ ঘণ্টার সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয়। এর ফলে দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। কিছু শহরে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।

রোমের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মানুষকে পতাকা ও ব্যানার হাতে স্লোগান দিতে দেখা যায়। অনেককে ধোঁয়া ছড়িয়েও প্রতিবাদ জানাতে দেখা গেছে। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, গত ৩০ বছরে তাদের মজুরি বাড়েনি, অথচ পেট্রলের দাম ও জীবনযাত্রার ব্যয় আকাশছোঁয়া। তারা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলনের কর্মীরাও এই বিক্ষোভে অংশ নেন। জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, মজুরির ক্রয়ক্ষমতা ফিরিয়ে আনা, অস্ত্র ও সামরিক খাতে ব্যয় কমানো এবং শিক্ষা ও আবাসন পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানোই ছিল তাদের মূল দাবি।

বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা নিয়ে আয়োজক ও সরকারের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। ইউএসবি দাবি করেছে, তাদের ডাকা কর্মসূচিতে সারা দেশে ১০ লাখ থেকে ১৫ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের সংগঠন ওএসএর দাবি ছিল প্রায় ২০ লাখ। তবে ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার।

বার্তা সংস্থা এএনএসএ জানিয়েছে, ৬০টিরও বেশি শহরে কর্মসূচি পালিত হয়েছে। রোমে প্রায় এক লাখ মানুষ মিছিলে অংশ নেন বলে ইউএসবি দাবি করেছে। বিক্ষোভের বড় অংশ শান্তিপূর্ণ হলেও রোম ও তুরিনসহ কয়েকটি স্থানে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইতালিতে সামরিক ব্যয় কমিয়ে জনসেবায় বিনিয়োগের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ, সংঘর্ষও

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

ইতালিতে মজুরি বৃদ্ধি না হওয়া, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিক ও শিক্ষার্থীরা। রাজধানী রোমসহ ৬০টিরও বেশি শহরে ছড়িয়ে পড়া এই আন্দোলনে কৃষক, ট্যাক্সিচালক, ট্রাকচালক এবং আবাসন অধিকারকর্মীরাও যোগ দেন।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে মানুষের আয় ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও আবাসন খাতে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো। একইসঙ্গে সামরিক খাতে ব্যয় কমিয়ে জনকল্যাণমূলক কাজে সেই অর্থ বরাদ্দের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

তৃণমূল শ্রমিক সংগঠন ইউনিওনে সিনদাকালে দি বেসে (ইউএসবি) এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে ২৪ ঘণ্টার সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয়। এর ফলে দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। কিছু শহরে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।

রোমের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মানুষকে পতাকা ও ব্যানার হাতে স্লোগান দিতে দেখা যায়। অনেককে ধোঁয়া ছড়িয়েও প্রতিবাদ জানাতে দেখা গেছে। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, গত ৩০ বছরে তাদের মজুরি বাড়েনি, অথচ পেট্রলের দাম ও জীবনযাত্রার ব্যয় আকাশছোঁয়া। তারা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলনের কর্মীরাও এই বিক্ষোভে অংশ নেন। জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, মজুরির ক্রয়ক্ষমতা ফিরিয়ে আনা, অস্ত্র ও সামরিক খাতে ব্যয় কমানো এবং শিক্ষা ও আবাসন পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানোই ছিল তাদের মূল দাবি।

বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা নিয়ে আয়োজক ও সরকারের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। ইউএসবি দাবি করেছে, তাদের ডাকা কর্মসূচিতে সারা দেশে ১০ লাখ থেকে ১৫ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের সংগঠন ওএসএর দাবি ছিল প্রায় ২০ লাখ। তবে ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার।

বার্তা সংস্থা এএনএসএ জানিয়েছে, ৬০টিরও বেশি শহরে কর্মসূচি পালিত হয়েছে। রোমে প্রায় এক লাখ মানুষ মিছিলে অংশ নেন বলে ইউএসবি দাবি করেছে। বিক্ষোভের বড় অংশ শান্তিপূর্ণ হলেও রোম ও তুরিনসহ কয়েকটি স্থানে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়।