Dhaka ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় এমআরএর তীব্র নিন্দা, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের প্রকাশ্যে একটি সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআরএ)। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার এক বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এমআরএর সভাপতি ফখরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান।

বিবৃতিতে এমআরএর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলা কেবল একটি গণমাধ্যমের প্রতি অবজ্ঞা নয়, বরং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, মুক্ত সাংবাদিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অবমাননা। কোনো সংবাদ বা প্রতিবেদনে আপত্তি থাকলে তার প্রতিবাদ জানানো কিংবা আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু প্রকাশ্যে সংবাদপত্র ছিঁড়ে ক্ষোভ প্রকাশ কোনোভাবেই দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণ হতে পারে না। ভিন্নমতের জবাব দিতে হবে যুক্তি, তথ্য ও প্রমাণ দিয়ে; সংবাদপত্রের প্রতি অবমাননাকর আচরণের মাধ্যমে নয়।

এমআরএর নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল, সংযত ও গণতান্ত্রিক আচরণ প্রত্যাশিত। তার এমন কর্মকাণ্ড সরকারের ভাবমূর্তিকেও প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাজনৈতিক পদ বা ক্ষমতার অবস্থান কাউকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কিংবা সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের অধিকার দেয় না। বরং দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আচরণে সহনশীলতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধার প্রতিফলন থাকা জরুরি।

বিবৃতিতে এমআরএ আরও উল্লেখ করে, সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলা যায়, কিন্তু সত্য প্রকাশের আকাঙ্ক্ষাকে দমন করা যায় না। গণতন্ত্রে ভিন্নমত মোকাবিলা করতে হয় যুক্তি ও তথ্য দিয়ে, অবজ্ঞা কিংবা অসহিষ্ণুতা দিয়ে নয়।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় এমআরএর তীব্র নিন্দা, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের প্রকাশ্যে একটি সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআরএ)। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার এক বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এমআরএর সভাপতি ফখরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান।

বিবৃতিতে এমআরএর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলা কেবল একটি গণমাধ্যমের প্রতি অবজ্ঞা নয়, বরং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, মুক্ত সাংবাদিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অবমাননা। কোনো সংবাদ বা প্রতিবেদনে আপত্তি থাকলে তার প্রতিবাদ জানানো কিংবা আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু প্রকাশ্যে সংবাদপত্র ছিঁড়ে ক্ষোভ প্রকাশ কোনোভাবেই দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণ হতে পারে না। ভিন্নমতের জবাব দিতে হবে যুক্তি, তথ্য ও প্রমাণ দিয়ে; সংবাদপত্রের প্রতি অবমাননাকর আচরণের মাধ্যমে নয়।

এমআরএর নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল, সংযত ও গণতান্ত্রিক আচরণ প্রত্যাশিত। তার এমন কর্মকাণ্ড সরকারের ভাবমূর্তিকেও প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাজনৈতিক পদ বা ক্ষমতার অবস্থান কাউকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কিংবা সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের অধিকার দেয় না। বরং দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আচরণে সহনশীলতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধার প্রতিফলন থাকা জরুরি।

বিবৃতিতে এমআরএ আরও উল্লেখ করে, সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলা যায়, কিন্তু সত্য প্রকাশের আকাঙ্ক্ষাকে দমন করা যায় না। গণতন্ত্রে ভিন্নমত মোকাবিলা করতে হয় যুক্তি ও তথ্য দিয়ে, অবজ্ঞা কিংবা অসহিষ্ণুতা দিয়ে নয়।