Dhaka ০৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ফিলিস্তিনি ভূমি ইহুদিদের, আরবরা শত্রু: ইসরাইলি সেনাদের প্রশিক্ষণে মগজ ধোলাইয়ের অভিযোগ, সাবেক কর্মকর্তার স্বীকারোক্তি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

গাজায় নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা, খাদ্য ও ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা মানুষের ওপর গুলিবর্ষণ, আবাসিক এলাকায় নির্বিচার হামলা এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ও কৃষিজমি ধ্বংসের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এসব ঘটনার অনেকগুলোই জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা পরিচয়ে এক ব্যক্তির নামে এসব নৃশংসতার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বর্ণনা ছড়িয়ে পড়েছে, যা গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

‘আমি আর নীরব থাকতে পারছি না’ শিরোনামের ওই বক্তব্যে আভদার শাইলোভস্কি নামে এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, পাঁচ বছর ইসরাইলি সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের পর ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হয়ে তিনি আর চাকরি চালিয়ে যেতে পারেননি। পরবর্তীতে তিনি সেনাবাহিনী ছেড়ে পূর্বপুরুষদের দেশ পোল্যান্ডে চলে যান।

তার বক্তব্যে গাজায় দায়িত্ব পালনের সময় ট্যাংক থেকে তাঁবুতে আশ্রয় নেওয়া মানুষের ওপর গোলাবর্ষণ, বেকারি ও ত্রাণকেন্দ্রের সামনে অপেক্ষমাণ লোকজনের ওপর হামলা এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ধ্বংসের মতো ভয়াবহ ঘটনার বিবরণ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেছেন যে, সহকর্মীদের কাছে এসব ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাকে কাপুরুষ বলা হতো।

আভদার শাইলোভস্কির সামরিক পরিচয়, মেজর পদমর্যাদা এবং পোল্যান্ডে চলে যাওয়ার দাবি করা হয়েছে। পোল্যান্ডের একটি ওয়েবসাইটে গত ২৭ অক্টোবর বক্তব্যটি পুনঃপ্রকাশিত হয়, যেখানে মূল সূত্র হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি পোস্টের উল্লেখ রয়েছে। যদিও তার নামে প্রচারিত বক্তব্যটির ব্যক্তিগত সত্যতা পুরোপুরি নিশ্চিত না, তবে এতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সঙ্গে মিলে যায়—এমন বহু ঘটনার প্রমাণ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে সুস্পষ্টভাবে বিদ্যমান।

শাইলোভস্কির বক্তব্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযোগগুলোর একটি হলো, গাজায় খাদ্য ও ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা মানুষের ওপর ইসরায়েলি সেনাদের গুলিবর্ষণ। তিনি দাবি করেছেন, ট্যাংক থেকে বেসামরিক মানুষের ভিড়ে গোলা ছোড়া হতো। কখনো বেকারির সামনে, কখনো খাদ্য ও ত্রাণবাহী গাড়ির পাশে অপেক্ষমাণ মানুষের ওপর হামলা চালানো হতো।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তরের প্রতিবেদনেও এ ধরনের ঘটনার ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের ২৪ জুন প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) গত ২৭ মে খাদ্য বিতরণ শুরু করার পর ত্রাণপ্রার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ফিলিস্তিনি ভূমি ইহুদিদের, আরবরা শত্রু: ইসরাইলি সেনাদের প্রশিক্ষণে মগজ ধোলাইয়ের অভিযোগ, সাবেক কর্মকর্তার স্বীকারোক্তি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

গাজায় নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা, খাদ্য ও ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা মানুষের ওপর গুলিবর্ষণ, আবাসিক এলাকায় নির্বিচার হামলা এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ও কৃষিজমি ধ্বংসের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এসব ঘটনার অনেকগুলোই জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা পরিচয়ে এক ব্যক্তির নামে এসব নৃশংসতার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বর্ণনা ছড়িয়ে পড়েছে, যা গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

‘আমি আর নীরব থাকতে পারছি না’ শিরোনামের ওই বক্তব্যে আভদার শাইলোভস্কি নামে এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, পাঁচ বছর ইসরাইলি সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের পর ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হয়ে তিনি আর চাকরি চালিয়ে যেতে পারেননি। পরবর্তীতে তিনি সেনাবাহিনী ছেড়ে পূর্বপুরুষদের দেশ পোল্যান্ডে চলে যান।

তার বক্তব্যে গাজায় দায়িত্ব পালনের সময় ট্যাংক থেকে তাঁবুতে আশ্রয় নেওয়া মানুষের ওপর গোলাবর্ষণ, বেকারি ও ত্রাণকেন্দ্রের সামনে অপেক্ষমাণ লোকজনের ওপর হামলা এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ধ্বংসের মতো ভয়াবহ ঘটনার বিবরণ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেছেন যে, সহকর্মীদের কাছে এসব ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাকে কাপুরুষ বলা হতো।

আভদার শাইলোভস্কির সামরিক পরিচয়, মেজর পদমর্যাদা এবং পোল্যান্ডে চলে যাওয়ার দাবি করা হয়েছে। পোল্যান্ডের একটি ওয়েবসাইটে গত ২৭ অক্টোবর বক্তব্যটি পুনঃপ্রকাশিত হয়, যেখানে মূল সূত্র হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি পোস্টের উল্লেখ রয়েছে। যদিও তার নামে প্রচারিত বক্তব্যটির ব্যক্তিগত সত্যতা পুরোপুরি নিশ্চিত না, তবে এতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সঙ্গে মিলে যায়—এমন বহু ঘটনার প্রমাণ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে সুস্পষ্টভাবে বিদ্যমান।

শাইলোভস্কির বক্তব্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযোগগুলোর একটি হলো, গাজায় খাদ্য ও ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা মানুষের ওপর ইসরায়েলি সেনাদের গুলিবর্ষণ। তিনি দাবি করেছেন, ট্যাংক থেকে বেসামরিক মানুষের ভিড়ে গোলা ছোড়া হতো। কখনো বেকারির সামনে, কখনো খাদ্য ও ত্রাণবাহী গাড়ির পাশে অপেক্ষমাণ মানুষের ওপর হামলা চালানো হতো।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তরের প্রতিবেদনেও এ ধরনের ঘটনার ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের ২৪ জুন প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) গত ২৭ মে খাদ্য বিতরণ শুরু করার পর ত্রাণপ্রার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল।