Dhaka ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইতালিজুড়ে একদিনের সাধারণ ধর্মঘট ও বিক্ষোভ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

জীবনযাত্রার ক্রমাগত অনিয়ন্ত্রিত ব্যয়বৃদ্ধি, শিক্ষা খাতে রাষ্ট্রীয় বাজেট হ্রাস এবং যুদ্ধ ও সামরিক খাতে সরকারি বরাদ্দ বাড়ানোর তীব্র প্রতিবাদে গোটা ইতালিজুড়ে একদিনের ব্যাপক সাধারণ ধর্মঘট ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় ট্রেড ইউনিয়নসমূহের (ইউএসবি) জোরালো আহ্বানে আয়োজিত এই ধর্মঘটের প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়ে রাজপথে নেমে আসেন হাজার হাজার শ্রমিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিবাসীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত মূল দাবিসমূহের মধ্যে রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি রোধ করা, বর্তমান মূল্যস্ফীতির হারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ও পেনশন পুনর্নির্ধারণ করা এবং জনসেবা ও শিক্ষা-গবেষণা খাতে বরাদ্দ লক্ষণীয় মাত্রায় বাড়ানো। ধর্মঘট পালনকারীদের মূল অভিযোগ, সাধারণ জনগণের সামাজিক নিরাপত্তামূলক মৌলিক খাতে পর্যাপ্ত আর্থিক সংস্থান না রেখে সামরিক খাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার মান আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

এদিকে রাজধানী রোমসহ দেশের বড় বড় নগরীগুলোতে পূর্ববর্তী বিক্ষোভসমূহের সময় ঘটা বিশৃঙ্খল ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতালির মেলোনি সরকার ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, মেলোনির নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী সরকার নিজের নীতিগত ব্যর্থতা ঢাকতে ও আন্দোলন স্তব্ধ করতে তরুণ আন্দোলনকারী এবং অভিবাসী ব্যাকগ্রাউন্ডের যুবকদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিশানা বানাচ্ছে, যা জাতীয় বিভাজনকে উসকে দিচ্ছে। বিপরীতপক্ষে, সরকারের তরফ থেকে জনশৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, আন্দোলনের নামে যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা সরকারি-বেসরকারি সম্পদের ক্ষতি সাধন কঠোরভাবে দমন করা হবে। অর্থনীতিবিদদের ধারণা, বাজেট নীতি ও অর্থনৈতিক মন্দার স্থায়ী সমাধান না এলে এই চলমান সামাজিক অসন্তোষ দীর্ঘায়িত হয়ে আসন্ন জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইতালিজুড়ে একদিনের সাধারণ ধর্মঘট ও বিক্ষোভ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

জীবনযাত্রার ক্রমাগত অনিয়ন্ত্রিত ব্যয়বৃদ্ধি, শিক্ষা খাতে রাষ্ট্রীয় বাজেট হ্রাস এবং যুদ্ধ ও সামরিক খাতে সরকারি বরাদ্দ বাড়ানোর তীব্র প্রতিবাদে গোটা ইতালিজুড়ে একদিনের ব্যাপক সাধারণ ধর্মঘট ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় ট্রেড ইউনিয়নসমূহের (ইউএসবি) জোরালো আহ্বানে আয়োজিত এই ধর্মঘটের প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়ে রাজপথে নেমে আসেন হাজার হাজার শ্রমিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিবাসীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত মূল দাবিসমূহের মধ্যে রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি রোধ করা, বর্তমান মূল্যস্ফীতির হারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ও পেনশন পুনর্নির্ধারণ করা এবং জনসেবা ও শিক্ষা-গবেষণা খাতে বরাদ্দ লক্ষণীয় মাত্রায় বাড়ানো। ধর্মঘট পালনকারীদের মূল অভিযোগ, সাধারণ জনগণের সামাজিক নিরাপত্তামূলক মৌলিক খাতে পর্যাপ্ত আর্থিক সংস্থান না রেখে সামরিক খাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার মান আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

এদিকে রাজধানী রোমসহ দেশের বড় বড় নগরীগুলোতে পূর্ববর্তী বিক্ষোভসমূহের সময় ঘটা বিশৃঙ্খল ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতালির মেলোনি সরকার ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, মেলোনির নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী সরকার নিজের নীতিগত ব্যর্থতা ঢাকতে ও আন্দোলন স্তব্ধ করতে তরুণ আন্দোলনকারী এবং অভিবাসী ব্যাকগ্রাউন্ডের যুবকদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিশানা বানাচ্ছে, যা জাতীয় বিভাজনকে উসকে দিচ্ছে। বিপরীতপক্ষে, সরকারের তরফ থেকে জনশৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, আন্দোলনের নামে যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা সরকারি-বেসরকারি সম্পদের ক্ষতি সাধন কঠোরভাবে দমন করা হবে। অর্থনীতিবিদদের ধারণা, বাজেট নীতি ও অর্থনৈতিক মন্দার স্থায়ী সমাধান না এলে এই চলমান সামাজিক অসন্তোষ দীর্ঘায়িত হয়ে আসন্ন জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।