সরকার কর্তৃক আগামী ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করার কথা থাকলেও নির্ধারিত দিনে পর্যটকবাহী কোনো জাহাজ চলাচল শুরু হচ্ছে না। নৌপরিবহণ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) প্রয়োজনীয় ফিটনেস ও রুট পারমিটের ছাড়পত্র না মেলা এবং কক্সবাজারের জেটি ঘাট নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় এই অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সেন্ট মার্টিন রুটে চলাচলের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর, নৌপরিবহণ অধিদপ্তর, বিআইডব্লিউটিএ এবং ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন সাপেক্ষে জেলা প্রশাসন চূড়ান্ত অনুমতি প্রদান করে থাকে, কিন্তু জাহাজ কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত কেবল পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে।
সি ক্রুজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর জানিয়েছেন যে, কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়ায় বিআইডব্লিউটিএ নির্ধারিত ঘাটে ১০টি জাহাজ একসঙ্গে নোঙর করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তারা ঘাট পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেছেন। বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, সমুদয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন জমা পড়লে তা দ্রুত বিবেচনা করা হবে। এদিকে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী ৪ নভেম্বর চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিতব্য উচ্চপর্যায়ের একটি বিভাগীয় বৈঠকে পর্যালোচনা শেষে সেন্ট মার্টিন রুটে কবে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাহাজ চলাচল শুরু হবে তা চূড়ান্ত করা হবে।

























