ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আরব ভোটারদের লক্ষ্য করে বৈধতা হরণের নোংরা প্রচারণা চালানোর অভিযোগ তুলেছেন দেশটির মধ্য-বামপন্থী ডেমোক্র্যাটস দলের নেতা ইয়ার গোলান। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনে গণরায়ের মাধ্যমে পরাজিত হয়েও নেতানিয়াহু সেই ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেছে যে, ইসরাইলের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো নির্বাচন ‘চুরি’ করেছে। এই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য পুলিশ ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গোলান বলেন, গণতান্ত্রিক নির্বাচনে নেতানিয়াহু বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়েছেন এবং জনগণ তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেছে; কিন্তু তিনি ভোটারদের সেই রায় মেনে নিতে অস্বীকার করছেন।
গোলান আরও বলেন, ‘এখন তিনি জনমতের বিরুদ্ধে এবং বিশেষ করে আরব জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে কুৎসিত বৈধতা হরণের প্রচারণা চালিয়ে নির্বাচনের ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছেন।’ তিনি যোগ করেন, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে যদি প্রকৃত কোনো সন্দেহ থাকে, তবে তার পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া উচিত।
এদিকে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শিন বেতকে অনুরোধ জানিয়েছে ইসরাইলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। গত বুধবার লেখা একটি চিঠিতে ‘ইসরাইলের স্বার্থবিরোধী বিদেশি পক্ষগুলোর’ অর্থায়নের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য বা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের মূল্যায়ন দেওয়া হয়নি এবং অভিযোগগুলোর উৎসও পরিষ্কার নয়। ইসরাইলের আইন অনুযায়ী, আগামী ৪ নভেম্বর নির্বাচনের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদনের শেষ সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে। এর আগে এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের ফলাফল জানাতে শিন বেতকে অনুরোধ করেছে নির্বাচন কমিটি।























