রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আইয়ুবকে মারধরের ঘটনা এবং এর জেরে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুরের পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ৪ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে রেলওয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এই তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তদন্ত কমিটি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা: গঠিত ৪ সদস্যের এই তদন্ত কমিটিতে রাখা হয়েছে পাকশী বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা, পাকশী বিভাগীয় চিকিৎসক কর্মকর্তা, পাকশী বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী এবং পাকশী অঞ্চলের রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (এনআরবি) কমান্ড্যান্টকে। এর আগে গত রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ও ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এনআরবির চার সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তকৃত কর্মীরা হলেন—আরিফ হোসেন, রোকন উদ্দিন, শফিকুল ইসলাম ও শাহাদত হোসেন। এনআরবির চিফ কমান্ড্যান্ট মোহা. আশাবুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক দপ্তরাদেশে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ঘটনার পটভূমি ও ট্রেন চলাচল পরিস্থিতি: এর আগে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (এনআরবি) ও টিটিই-দের বিরুদ্ধে এক রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের গুরুতর অভিযোগ ওঠার পর সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে রেলওয়ে স্টেশন ঘেরাও করেন এবং স্টেশনে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। শিক্ষার্থীদের এই নজিরবিহীন অবরোধ ও উত্তাল পরিস্থিতির কারণে কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত ‘ধূমকেতু এক্সপ্রেস’ ট্রেনের যাত্রা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছিল। তবে সোমবার সকাল থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় রাজশাহী থেকে অন্যান্য রুটের ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং নির্ধারিত সময়েই বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেনগুলো স্টেশন ছেড়ে যাচ্ছে।
এদিকে পুরো ঘটনা ও রেলওয়ের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থার বিষয়ে বক্তব্য জানতে রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক আহম্মদ হোসেন মাসুমকে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর তরফ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।






















