Dhaka ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনাসহ জাতীয় মসজিদের খতিবও পালিয়েছিলেন: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:০০:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শুধু স্বৈরাচারী শেখ হাসিনাই দেশ ছেড়ে পালাননি, বরং তার দোসর হিসেবে পরিচিত জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব ও ইমামও পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ও পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা যতই ষড়যন্ত্র করুক, ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশে আর কোনো স্বৈরাচারী অপশক্তিকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হবে না।

বুধবার বিকেলে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত ঐতিহাসিক পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষ্যে ‘২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠার তাণ্ডব ও হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে’ বিক্ষোভ মিছিল-পূর্ব বিশাল সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর এ দেশের ইতিহাসের এক কলঙ্কিত দিন। বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জামায়াতের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা লগি-বৈঠা নিয়ে কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছিল। সারাদেশে ৫৪ জন এবং রাজধানীতে ১৪ জন নেতাকর্মীকে নৃশংসভাবে শহীদ করা হয়েছিল। কিন্তু এত রক্তপাত ঘটিয়েও আমাদের কর্মসূচি এক সেকেন্ডের জন্যও বন্ধ করা যায়নি, জামায়াতকে পল্টন থেকে হটানো যায়নি।’

আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতনের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যারা জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন ও নির্মূল করার দম্ভ দেখিয়েছিল, চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে তারা সকালে রান্না করে দুপুরে না খেয়েই পালিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদের দোসর হয়ে কেবল শেখ হাসিনাই পালাননি, এই বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব ও ইমামও পালিয়ে আত্মরক্ষা করেছেন—এটা যেন সবার স্মরণে থাকে।’

বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিবাদের রাজত্ব কায়েম করেছিল, আর বর্তমানের একটি পক্ষ মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই আওয়ামী লীগের সেই রূপ ধারণ করার চেষ্টা করছে। জামায়াতের ওপর হামলা বা কর্মসূচি বানচালের অপচেষ্টা যারা করছেন, তাদের পরিণতি আওয়ামী লীগের চেয়েও করুণ হবে।’

তিনি অবিলম্বে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠা তাণ্ডবের খুনিদের ফাঁসি এবং বিগত সরকারের সময়ে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনাসহ জাতীয় মসজিদের খতিবও পালিয়েছিলেন: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:০০:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শুধু স্বৈরাচারী শেখ হাসিনাই দেশ ছেড়ে পালাননি, বরং তার দোসর হিসেবে পরিচিত জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব ও ইমামও পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ও পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা যতই ষড়যন্ত্র করুক, ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশে আর কোনো স্বৈরাচারী অপশক্তিকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হবে না।

বুধবার বিকেলে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত ঐতিহাসিক পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষ্যে ‘২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠার তাণ্ডব ও হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে’ বিক্ষোভ মিছিল-পূর্ব বিশাল সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর এ দেশের ইতিহাসের এক কলঙ্কিত দিন। বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জামায়াতের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা লগি-বৈঠা নিয়ে কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছিল। সারাদেশে ৫৪ জন এবং রাজধানীতে ১৪ জন নেতাকর্মীকে নৃশংসভাবে শহীদ করা হয়েছিল। কিন্তু এত রক্তপাত ঘটিয়েও আমাদের কর্মসূচি এক সেকেন্ডের জন্যও বন্ধ করা যায়নি, জামায়াতকে পল্টন থেকে হটানো যায়নি।’

আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতনের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যারা জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন ও নির্মূল করার দম্ভ দেখিয়েছিল, চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে তারা সকালে রান্না করে দুপুরে না খেয়েই পালিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদের দোসর হয়ে কেবল শেখ হাসিনাই পালাননি, এই বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব ও ইমামও পালিয়ে আত্মরক্ষা করেছেন—এটা যেন সবার স্মরণে থাকে।’

বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিবাদের রাজত্ব কায়েম করেছিল, আর বর্তমানের একটি পক্ষ মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই আওয়ামী লীগের সেই রূপ ধারণ করার চেষ্টা করছে। জামায়াতের ওপর হামলা বা কর্মসূচি বানচালের অপচেষ্টা যারা করছেন, তাদের পরিণতি আওয়ামী লীগের চেয়েও করুণ হবে।’

তিনি অবিলম্বে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠা তাণ্ডবের খুনিদের ফাঁসি এবং বিগত সরকারের সময়ে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন।