Dhaka ০৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে পানির মতো টাকা ঢালছেন ধনকুবেররা, এগিয়ে যারা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:১৩:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনে ওয়াশিংটনের নীতিমালায় প্রভাব বিস্তার করতে বড় অঙ্কের অর্থ ঢালছেন দেশের শীর্ষ ধনীরা, বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক অলাভজনক সংগঠনগুলো। অনেক ক্ষেত্রে একাধিক হাত ঘুরে এই অর্থ ছড়ানোর কারণে আসল অনুদানদাতাকে খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নির্বাচন কমিশনের (এফইসি) তথ্য বিশ্লেষণ করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে অংশ নেওয়া শীর্ষ ৫০ জন দাতা ও প্রতিষ্ঠান মিলে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৭৭ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই মোট অনুদানের প্রায় ৬০ শতাংশ বা ১৬৭ কোটি ডলার এসেছে রিপাবলিকানপন্থি দাতাদের কাছ থেকে। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটপন্থি দাতারা দিয়েছেন ৮৩ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা মোট অনুদানের প্রায় ৩০ শতাংশ। বাকি অর্থ এসেছে বিভিন্ন বিশেষ স্বার্থসংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী ও দ্বিদলীয় খাত থেকে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনি চক্রে একজন ব্যক্তি প্রার্থীর প্রচারে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ ডলার দিতে পারলেও, তালিকাভুক্তরা শত শত মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত অনুদান দিয়েছেন। এর মূল কারণ হলো, এই অর্থের বড় অংশই সরাসরি প্রার্থীদের তহবিলে না গিয়ে ‘সুপার পিএসি’ নামক রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর ফান্ডে জমা হয়েছে, যেগুলোর অনুদান সংগ্রহের কোনো নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ সীমা নেই।

২০১০ সালের আদালতের দুটি রায়ের পর থেকেই মূলত এই ধরনের স্বাধীন রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর দৌরাত্ম্য শুরু হয়। যদিও সুপার পিএসিগুলোকে তাদের দাতাদের নাম প্রকাশ করতে হয়, তবে কিছু অলাভজনক অর্থদাতা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব উৎস গোপন রাখার সুযোগ পাওয়ায় পেছনের আসল কারবারিরা আড়ালেই থেকে যায়।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে পানির মতো টাকা ঢালছেন ধনকুবেররা, এগিয়ে যারা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:১৩:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনে ওয়াশিংটনের নীতিমালায় প্রভাব বিস্তার করতে বড় অঙ্কের অর্থ ঢালছেন দেশের শীর্ষ ধনীরা, বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক অলাভজনক সংগঠনগুলো। অনেক ক্ষেত্রে একাধিক হাত ঘুরে এই অর্থ ছড়ানোর কারণে আসল অনুদানদাতাকে খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নির্বাচন কমিশনের (এফইসি) তথ্য বিশ্লেষণ করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে অংশ নেওয়া শীর্ষ ৫০ জন দাতা ও প্রতিষ্ঠান মিলে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৭৭ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই মোট অনুদানের প্রায় ৬০ শতাংশ বা ১৬৭ কোটি ডলার এসেছে রিপাবলিকানপন্থি দাতাদের কাছ থেকে। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটপন্থি দাতারা দিয়েছেন ৮৩ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা মোট অনুদানের প্রায় ৩০ শতাংশ। বাকি অর্থ এসেছে বিভিন্ন বিশেষ স্বার্থসংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী ও দ্বিদলীয় খাত থেকে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনি চক্রে একজন ব্যক্তি প্রার্থীর প্রচারে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ ডলার দিতে পারলেও, তালিকাভুক্তরা শত শত মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত অনুদান দিয়েছেন। এর মূল কারণ হলো, এই অর্থের বড় অংশই সরাসরি প্রার্থীদের তহবিলে না গিয়ে ‘সুপার পিএসি’ নামক রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর ফান্ডে জমা হয়েছে, যেগুলোর অনুদান সংগ্রহের কোনো নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ সীমা নেই।

২০১০ সালের আদালতের দুটি রায়ের পর থেকেই মূলত এই ধরনের স্বাধীন রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর দৌরাত্ম্য শুরু হয়। যদিও সুপার পিএসিগুলোকে তাদের দাতাদের নাম প্রকাশ করতে হয়, তবে কিছু অলাভজনক অর্থদাতা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব উৎস গোপন রাখার সুযোগ পাওয়ায় পেছনের আসল কারবারিরা আড়ালেই থেকে যায়।