রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে নির্ধারিত যুদ্ধবিরতি আজ মঙ্গলবার ভোরে কার্যকর হয়েছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন। উভয় পক্ষের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৩টা থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হয়, যদিও সংঘাতের তীব্রতা হ্রাসের বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, মঙ্গলবার ভোরে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে রাজধানী কিয়েভের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন অঞ্চলের যুদ্ধবিধ্বস্ত ওলেশকি শহরটি ২০২২ সালে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর সময় রুশ বাহিনীর দখলে চলে যায় এবং তখন থেকেই শহরটি সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে শহরটির স্থানীয় বাসিন্দারা খাদ্য ও ওষুধের তীব্র সংকটের কথা জানিয়েছিলেন।
মঙ্গলবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় টেলিগ্রাম চ্যানেলে এক বার্তায় জানিয়েছে যে, খেরসন অঞ্চলের ওলেশকি এলাকায় মানবিক ত্রাণ কার্যক্রমের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রুশ বাহিনী খেরসন রণাঙ্গনে গোলাবর্ষণ স্থগিত করেছে এবং নীরবতা বজায় রাখার ব্যবস্থা চালু করেছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের মানবাধিকারবিষয়ক কমিশনার দিমিত্রো লুবিনেৎসও যুদ্ধবিরতি পালনে ইউক্রেনের প্রতিশ্রুতি রক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইউক্রেন সংঘাত পঞ্চম বছরে পদার্পণ করার প্রেক্ষাপটে সীমিত এই এলাকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলো। আগামী নভেম্বরে ওয়াশিংটন, মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ বা মানবিক সহায়তা পরিচালনার সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পর্কে কোনো পক্ষই বিস্তারিত কিছু জানায়নি। গত শুক্রবার মেলানিয়া ট্রাম্প মধ্যস্থতার ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছিলেন যে রাশিয়া ও ইউক্রেনের বেসামরিক কর্মকর্তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেবেন।























