Dhaka ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে আলোচনায় মিশিগানের ডেমোক্র্যাট নেতা ড. আব্দুল এল সাইদ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশটির জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন মিশিগানের তরুণ ডেমোক্র্যাট নেতা ড. আব্দুল এল সাইদ। নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি হবেন মার্কিন সিনেটের ইতিহাসের প্রথম মুসলিম সদস্য। তবে তার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও সিনেটর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা ঠেকাতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক প্রকাশ্য জনসভায় তাকে ‘জিহাদি’ আখ্যা দিয়ে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সংযোগের অভিযোগ তুলেছেন ট্রাম্প। প্রশ্ন উঠেছে—কে এই আব্দুল এল সাইদ, যাকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এত মাথাব্যথা?

১৯৮৪ সালে মিশিগানের রচেস্টার হিলসে জন্মগ্রহণ করেন আব্দুর রহমান মোহাম্মদ এল সাইদ। তার বাবা-মা ছিলেন মিসরীয় অভিবাসী। অসাধারণ মেধার স্বাক্ষর রেখে তিনি জনস্বাস্থ্যের ওপর পিএইচডি এবং চিকিৎসাবিদ্যায় এমডি ডিগ্রি অর্জন করেন। প্রথাগত চিকিৎসাসেবায় সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি গবেষণায় মনোনিবেশ করেন এবং মর্যাদাপূর্ণ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মহামারিবিদ্যা (এপিডেমিওলজি) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনা শুরু করেন। ২০১৫ সালে মাত্র ৩০ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট স্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পান এল সাইদ। তিনি ছিলেন দেশটির কোনো বড় শহরের স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বকনিষ্ঠ পরিচালক। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে তিনি ওয়েন কাউন্টি স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব নেন। সিনেট নির্বাচনে লড়াইয়ের উদ্দেশ্যে গত বছর তিনি এ পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

নির্বাচনি প্রচারণায় সাধারণ আমেরিকানদের জীবনযাত্রার ব্যয় হ্রাস, আবাসন সংকট সমাধান এবং সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের মতো বাস্তবমুখী প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। বিশেষ করে তরুণ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির কাছে তার অবস্থান অত্যন্ত শক্তিশালী। সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোতে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের চেয়ে এগিয়ে থাকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের শিবিরে চরম অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। মিশিগানে রিপাবলিকান প্রার্থীর পক্ষে আয়োজিত জনসভায় ট্রাম্প নিজের দলের প্রার্থীর প্রশংসা করার চেয়ে বেশি সময় ব্যয় করেন এল সাইদকে আক্রমণ করতে। তিনি অভিযোগ করেন, এল সাইদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মুসলিম ব্রাদারহুডের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে আলোচনায় মিশিগানের ডেমোক্র্যাট নেতা ড. আব্দুল এল সাইদ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশটির জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন মিশিগানের তরুণ ডেমোক্র্যাট নেতা ড. আব্দুল এল সাইদ। নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি হবেন মার্কিন সিনেটের ইতিহাসের প্রথম মুসলিম সদস্য। তবে তার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও সিনেটর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা ঠেকাতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক প্রকাশ্য জনসভায় তাকে ‘জিহাদি’ আখ্যা দিয়ে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সংযোগের অভিযোগ তুলেছেন ট্রাম্প। প্রশ্ন উঠেছে—কে এই আব্দুল এল সাইদ, যাকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এত মাথাব্যথা?

১৯৮৪ সালে মিশিগানের রচেস্টার হিলসে জন্মগ্রহণ করেন আব্দুর রহমান মোহাম্মদ এল সাইদ। তার বাবা-মা ছিলেন মিসরীয় অভিবাসী। অসাধারণ মেধার স্বাক্ষর রেখে তিনি জনস্বাস্থ্যের ওপর পিএইচডি এবং চিকিৎসাবিদ্যায় এমডি ডিগ্রি অর্জন করেন। প্রথাগত চিকিৎসাসেবায় সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি গবেষণায় মনোনিবেশ করেন এবং মর্যাদাপূর্ণ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মহামারিবিদ্যা (এপিডেমিওলজি) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনা শুরু করেন। ২০১৫ সালে মাত্র ৩০ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট স্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পান এল সাইদ। তিনি ছিলেন দেশটির কোনো বড় শহরের স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বকনিষ্ঠ পরিচালক। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে তিনি ওয়েন কাউন্টি স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব নেন। সিনেট নির্বাচনে লড়াইয়ের উদ্দেশ্যে গত বছর তিনি এ পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

নির্বাচনি প্রচারণায় সাধারণ আমেরিকানদের জীবনযাত্রার ব্যয় হ্রাস, আবাসন সংকট সমাধান এবং সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের মতো বাস্তবমুখী প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। বিশেষ করে তরুণ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির কাছে তার অবস্থান অত্যন্ত শক্তিশালী। সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোতে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের চেয়ে এগিয়ে থাকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের শিবিরে চরম অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। মিশিগানে রিপাবলিকান প্রার্থীর পক্ষে আয়োজিত জনসভায় ট্রাম্প নিজের দলের প্রার্থীর প্রশংসা করার চেয়ে বেশি সময় ব্যয় করেন এল সাইদকে আক্রমণ করতে। তিনি অভিযোগ করেন, এল সাইদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মুসলিম ব্রাদারহুডের সম্পৃক্ততা রয়েছে।