Dhaka ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে ইরানে মক্কা জোটের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক: চার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান যুদ্ধাবস্থা ও চরম আঞ্চলিক সংকট নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের অংশ হিসেবে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ভুক্ত তিন মুসলিম পরাশক্তি—সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক—ইরানের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের এক ঐতিহাসিক বৈঠকে বসেছে। গত ২৬ অক্টোবর ইরানের রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি বন্ধ করা এবং সংঘাত নিরসনে একটি স্থায়ী কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

লন্ডনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই-এর বরাতে জানা যায়, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিবের সমন্বয়ে আয়োজিত এই বিশেষ বৈঠকে ইরানের পক্ষে অংশ নেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। অন্যদিকে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং তুরস্কের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এমআইটি) প্রধান ইব্রাহিম কালিন।

বৈঠকে গৃহীত প্রধান সিদ্ধান্তসমূহ:

১. **সংলাপের টেবিলে প্রত্যাবর্তন:** বৈঠক শেষে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, তেহরান আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো চলমান সামরিক সংঘাতের সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে সরাসরি আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা। কোনো অবস্থাতেই যেন সংঘাতের বিস্তার না ঘটে, সে লক্ষ্যে সব পক্ষের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

২. **কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় পূর্ণ সমর্থন:** মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ফেরাতে কাতার ও পাকিস্তান যৌথভাবে যে কূটনৈতিক মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিয়েছে, তাকে মক্কা জোট সর্বাত্মক সমর্থন জানাবে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

৩. **সামরিক সংঘাত পরিহার ও কূটনীতিতে জোর:** সামরিক শক্তির চেয়ে কূটনৈতিক উপায়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের ওপর জোর দেয় জোট। সৌদি প্রতিনিধিদলের প্রধান প্রিন্স খালিদ বিন সালমান স্পষ্ট উল্লেখ করেন, সামরিক উত্তেজনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর সংলাপ ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।

৪. **যৌথ নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ:** আঞ্চলিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির সদস্য দেশগুলো সমন্বিতভাবে সংকট পর্যবেক্ষণ করবে এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতি প্রশমনে একযোগে কাজ করবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে ইরানে মক্কা জোটের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক: চার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান যুদ্ধাবস্থা ও চরম আঞ্চলিক সংকট নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের অংশ হিসেবে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ভুক্ত তিন মুসলিম পরাশক্তি—সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক—ইরানের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের এক ঐতিহাসিক বৈঠকে বসেছে। গত ২৬ অক্টোবর ইরানের রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি বন্ধ করা এবং সংঘাত নিরসনে একটি স্থায়ী কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

লন্ডনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই-এর বরাতে জানা যায়, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিবের সমন্বয়ে আয়োজিত এই বিশেষ বৈঠকে ইরানের পক্ষে অংশ নেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। অন্যদিকে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং তুরস্কের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এমআইটি) প্রধান ইব্রাহিম কালিন।

বৈঠকে গৃহীত প্রধান সিদ্ধান্তসমূহ:

১. **সংলাপের টেবিলে প্রত্যাবর্তন:** বৈঠক শেষে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, তেহরান আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো চলমান সামরিক সংঘাতের সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে সরাসরি আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা। কোনো অবস্থাতেই যেন সংঘাতের বিস্তার না ঘটে, সে লক্ষ্যে সব পক্ষের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

২. **কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় পূর্ণ সমর্থন:** মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ফেরাতে কাতার ও পাকিস্তান যৌথভাবে যে কূটনৈতিক মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিয়েছে, তাকে মক্কা জোট সর্বাত্মক সমর্থন জানাবে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

৩. **সামরিক সংঘাত পরিহার ও কূটনীতিতে জোর:** সামরিক শক্তির চেয়ে কূটনৈতিক উপায়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের ওপর জোর দেয় জোট। সৌদি প্রতিনিধিদলের প্রধান প্রিন্স খালিদ বিন সালমান স্পষ্ট উল্লেখ করেন, সামরিক উত্তেজনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর সংলাপ ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।

৪. **যৌথ নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ:** আঞ্চলিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির সদস্য দেশগুলো সমন্বিতভাবে সংকট পর্যবেক্ষণ করবে এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতি প্রশমনে একযোগে কাজ করবে।