Dhaka ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ব্যালন ডি’অরের ভক্তদের ভোটে মেসিকে পেছনে ফেললেন রোনালদো

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে

বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের দুই সর্বকালের সেরা মহাতারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর চিরন্তন দ্বৈরথ ও শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে যুক্ত হলো একেবারে নতুন ও রোমাঞ্চকর এক অধ্যায়। ব্যালন ডি’অরের অফিসিয়াল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্প্রতি আয়োজিত এক ব্যতিক্রমী ভোটাভুটিতে মুখোমুখি দাঁড়িয়েছেন ফুটবল ইতিহাসের সেরা ১০ ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা। ইতিহাসখ্যাত এসব কিংবদন্তিদের বিভিন্ন স্মৃতিস্মারক মৌসুমের পারফরম্যান্স থেকে ভক্ত-সমর্থকদের সরাসরি রায়ে সেরা পারফরম্যান্স বেছে নেওয়ার এই বৈশ্বিক লড়াইয়ে বর্তমানে লিওনেল মেসিকে বড় ব্যবধানে পেছনে ফেলে একক আধিপত্য বিস্তার করছেন পর্তুগিজ যুবরাজ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

আর্জেন্টাইন ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া গণমাধ্যম ‘টিওয়াইসি স্পোর্টস’-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই ভোটাভুটির সর্বশেষ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, মোট প্রদত্ত ভোটের সিংহভাগ—অর্থাৎ ৬২ শতাংশের বিশাল সমর্থন নিয়ে তালিকার একচ্ছত্র শীর্ষে অবস্থান করছেন সিআর সেভেন। ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে ২০০৮ সালে রোনালদোর প্রদর্শিত যে অনবদ্য ও অতিমানবিক মৌসুমটি তাঁকে ক্যারিয়ারের প্রথম ব্যালন ডি’অর এনে দিয়েছিল, সারা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের চোখে সেটিই এখন পর্যন্ত ইতিহাসের সেরা ব্যালন জয়ী পারফরম্যান্স হিসেবে সমাদৃত হচ্ছে।

অন্যদিকে, ফুটবল ইতিহাসের এক একক পঞ্জিকাবর্ষে ৯১ গোলের অবিশ্বাস্য ও প্রায় অসম্ভব অলৌকিক রেকর্ড গড়া লিওনেল মেসির ২০১২ সালের ঐতিহাসিক মৌসুমটি পেয়েছে মাত্র ১৩ শতাংশ ভোট। উল্লেখ্য, ওই স্মরণীয় বছরটিতেই আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর টানা চতুর্থবারের মতো ব্যালন ডি’অর জয়ের ইতিহাস গড়েছিলেন। তবে ক্রীড়া বিশ্লেষকদের অভিমত অনুযায়ী, মেসির ক্যারিয়ারে অর্জিত রেকর্ড ৮টি ব্যালন ডি’অর জয়ী মৌসুমের সোনালী স্মৃতিগুলো ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে নানা ভাগে বিভক্ত হয়ে যাওয়ার কারণেই সার্বিক বা সম্মিলিত ভোটে তিনি কিছুটা পিছিয়ে পড়েছেন।

প্রকাশিত তালিকার তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০১২ সালের পর মেসির পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে তাঁর ২০২৩ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ী অবিস্মরণীয় মৌসুমটি, যা অর্জন করেছে ৯ শতাংশ ভোট। মূলত কাতার বিশ্বকাপ জয় এবং পরবর্তীতে পিএসজির হয়ে উজ্জ্বল নৈপুণ্য প্রদর্শনের সুবাদেই সেই বছর অষ্টম ব্যালন ডি’অর ট্রফিটি নিজের করে নিয়েছিলেন তিনি। অন্যদিকে, রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে রোনালদোর ২০১৭ সালের দ্যুতিময় মৌসুমটি পেয়েছে ৭ শতাংশ এবং ২০১৬ সালের ইউরোপ সেরার মৌসুমের পক্ষে পড়েছে ২ শতাংশ ভোট। বাকি বিভিন্ন মৌসুমে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী তারকার ঝুলিতে জমা হয়েছে মাত্র ১ শতাংশ বা তারও কম ভোট।

ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আয়োজিত এই মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় মেসি ও রোনালদো ছাড়াও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বিশ্ব ফুটবলের আরও ৮ জন অমর কালজয়ী কিংবদন্তিকে। এই তালিকার উজ্জ্বল নক্ষত্ররা হলেন—ব্রাজিলিয়ান ‘ফেনোমেনন’ রোনালদো নাজারিও, ডাচ কিংবদন্তি মার্কো ফন বাস্তেন, ফরাসি তারকা মিশেল প্লাতিনি, জার্মান প্রবাদপ্রতিম কার্ল-হাইনৎস রুমেনিগে ও ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, ইংলিশ তারকা কেভিন কিগান, ডাচ টোটাল ফুটবলের জনক ইয়োহান ক্রুইফ এবং রিয়াল মাদ্রিদের ঐতিহাসিক তারকা আলফ্রেডো দি স্তেফানো।

সারা বিশ্বের সাধারণ সমর্থকদের সরাসরি অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করতে এই ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় আনা হয়েছে বিশেষ কিছু বৈচিত্র্য ও নতুনত্ব। ভোটিং প্ল্যাটফর্মে প্রতিটি আলাদা ভোটের জন্য ১ ইউরো করে ফি সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সাথে ভোটদান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভক্তরা আসন্ন জমকালো ব্যালন ডি’অর প্রদান অনুষ্ঠানের সরাসরি ২টি টিকিট জেতার লটারিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী ট্রফির আকর্ষণীয় ডিজিটাল চিত্র (NFT/Digital Image) সংগ্রহেরও বিরল সুযোগ পাচ্ছেন। এছাড়া সমর্থকেরা চাইলে একই প্রিয় খেলোয়াড় কিংবা তাঁর নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ মৌসুমের পক্ষে একাধিকবারও আর্থিক ফি পরিশোধ করে ভোট প্রদান করতে পারছেন।

ফরাসি রাজধানী প্যারিসের স্থানীয় সময় অনুযায়ী চলতি মাসের আগামী ২৭ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাতে শেষ হবে ভক্তদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই অভিনব ভোটগ্রহণ। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীদের শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত রায়ে কার কোন নির্দিষ্ট মৌসুমটি ইতিহাসের ‘সর্বকালের সেরা ব্যালন ডি’অর জয়ী’ পারফরম্যান্সের রাজমুকুট পরিধান করে, তা দেখার জন্য মুখিয়ে আছে ক্রীড়াবিশ্ব।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ব্যালন ডি’অরের ভক্তদের ভোটে মেসিকে পেছনে ফেললেন রোনালদো

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের দুই সর্বকালের সেরা মহাতারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর চিরন্তন দ্বৈরথ ও শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে যুক্ত হলো একেবারে নতুন ও রোমাঞ্চকর এক অধ্যায়। ব্যালন ডি’অরের অফিসিয়াল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্প্রতি আয়োজিত এক ব্যতিক্রমী ভোটাভুটিতে মুখোমুখি দাঁড়িয়েছেন ফুটবল ইতিহাসের সেরা ১০ ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা। ইতিহাসখ্যাত এসব কিংবদন্তিদের বিভিন্ন স্মৃতিস্মারক মৌসুমের পারফরম্যান্স থেকে ভক্ত-সমর্থকদের সরাসরি রায়ে সেরা পারফরম্যান্স বেছে নেওয়ার এই বৈশ্বিক লড়াইয়ে বর্তমানে লিওনেল মেসিকে বড় ব্যবধানে পেছনে ফেলে একক আধিপত্য বিস্তার করছেন পর্তুগিজ যুবরাজ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

আর্জেন্টাইন ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া গণমাধ্যম ‘টিওয়াইসি স্পোর্টস’-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই ভোটাভুটির সর্বশেষ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, মোট প্রদত্ত ভোটের সিংহভাগ—অর্থাৎ ৬২ শতাংশের বিশাল সমর্থন নিয়ে তালিকার একচ্ছত্র শীর্ষে অবস্থান করছেন সিআর সেভেন। ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে ২০০৮ সালে রোনালদোর প্রদর্শিত যে অনবদ্য ও অতিমানবিক মৌসুমটি তাঁকে ক্যারিয়ারের প্রথম ব্যালন ডি’অর এনে দিয়েছিল, সারা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের চোখে সেটিই এখন পর্যন্ত ইতিহাসের সেরা ব্যালন জয়ী পারফরম্যান্স হিসেবে সমাদৃত হচ্ছে।

অন্যদিকে, ফুটবল ইতিহাসের এক একক পঞ্জিকাবর্ষে ৯১ গোলের অবিশ্বাস্য ও প্রায় অসম্ভব অলৌকিক রেকর্ড গড়া লিওনেল মেসির ২০১২ সালের ঐতিহাসিক মৌসুমটি পেয়েছে মাত্র ১৩ শতাংশ ভোট। উল্লেখ্য, ওই স্মরণীয় বছরটিতেই আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর টানা চতুর্থবারের মতো ব্যালন ডি’অর জয়ের ইতিহাস গড়েছিলেন। তবে ক্রীড়া বিশ্লেষকদের অভিমত অনুযায়ী, মেসির ক্যারিয়ারে অর্জিত রেকর্ড ৮টি ব্যালন ডি’অর জয়ী মৌসুমের সোনালী স্মৃতিগুলো ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে নানা ভাগে বিভক্ত হয়ে যাওয়ার কারণেই সার্বিক বা সম্মিলিত ভোটে তিনি কিছুটা পিছিয়ে পড়েছেন।

প্রকাশিত তালিকার তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০১২ সালের পর মেসির পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে তাঁর ২০২৩ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ী অবিস্মরণীয় মৌসুমটি, যা অর্জন করেছে ৯ শতাংশ ভোট। মূলত কাতার বিশ্বকাপ জয় এবং পরবর্তীতে পিএসজির হয়ে উজ্জ্বল নৈপুণ্য প্রদর্শনের সুবাদেই সেই বছর অষ্টম ব্যালন ডি’অর ট্রফিটি নিজের করে নিয়েছিলেন তিনি। অন্যদিকে, রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে রোনালদোর ২০১৭ সালের দ্যুতিময় মৌসুমটি পেয়েছে ৭ শতাংশ এবং ২০১৬ সালের ইউরোপ সেরার মৌসুমের পক্ষে পড়েছে ২ শতাংশ ভোট। বাকি বিভিন্ন মৌসুমে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী তারকার ঝুলিতে জমা হয়েছে মাত্র ১ শতাংশ বা তারও কম ভোট।

ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আয়োজিত এই মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় মেসি ও রোনালদো ছাড়াও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বিশ্ব ফুটবলের আরও ৮ জন অমর কালজয়ী কিংবদন্তিকে। এই তালিকার উজ্জ্বল নক্ষত্ররা হলেন—ব্রাজিলিয়ান ‘ফেনোমেনন’ রোনালদো নাজারিও, ডাচ কিংবদন্তি মার্কো ফন বাস্তেন, ফরাসি তারকা মিশেল প্লাতিনি, জার্মান প্রবাদপ্রতিম কার্ল-হাইনৎস রুমেনিগে ও ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, ইংলিশ তারকা কেভিন কিগান, ডাচ টোটাল ফুটবলের জনক ইয়োহান ক্রুইফ এবং রিয়াল মাদ্রিদের ঐতিহাসিক তারকা আলফ্রেডো দি স্তেফানো।

সারা বিশ্বের সাধারণ সমর্থকদের সরাসরি অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করতে এই ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় আনা হয়েছে বিশেষ কিছু বৈচিত্র্য ও নতুনত্ব। ভোটিং প্ল্যাটফর্মে প্রতিটি আলাদা ভোটের জন্য ১ ইউরো করে ফি সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সাথে ভোটদান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভক্তরা আসন্ন জমকালো ব্যালন ডি’অর প্রদান অনুষ্ঠানের সরাসরি ২টি টিকিট জেতার লটারিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী ট্রফির আকর্ষণীয় ডিজিটাল চিত্র (NFT/Digital Image) সংগ্রহেরও বিরল সুযোগ পাচ্ছেন। এছাড়া সমর্থকেরা চাইলে একই প্রিয় খেলোয়াড় কিংবা তাঁর নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ মৌসুমের পক্ষে একাধিকবারও আর্থিক ফি পরিশোধ করে ভোট প্রদান করতে পারছেন।

ফরাসি রাজধানী প্যারিসের স্থানীয় সময় অনুযায়ী চলতি মাসের আগামী ২৭ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাতে শেষ হবে ভক্তদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই অভিনব ভোটগ্রহণ। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীদের শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত রায়ে কার কোন নির্দিষ্ট মৌসুমটি ইতিহাসের ‘সর্বকালের সেরা ব্যালন ডি’অর জয়ী’ পারফরম্যান্সের রাজমুকুট পরিধান করে, তা দেখার জন্য মুখিয়ে আছে ক্রীড়াবিশ্ব।