Dhaka ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ব্যাটারদের জেতা উচিত ছিল, পারেনি: তাসকিন আহমেদ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:০০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে

ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং শুরু করেও বাংলাদেশ হেরে যাওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, বোলারদের ভালো পারফরম্যান্সের পরও ব্যাটাররা ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে না পারায় পরাজয় এসেছে।

তাসকিনের মতে, বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ম্যাচের উইকেট বোলারদের চেয়ে ব্যাটারদের জন্যই বেশি সহায়ক ছিল। এমন একটি পিচেও বাংলাদেশ ১৭২ রানে অলআউট হওয়ায় ব্যাটারদের দায় দেখছেন তিনি। তাসকিন বলেন, “আজকের পিচ যেরকম ছিল, আমরা বল করার সময় দেখেছি, একটু এদিক-ওদিক হলেই রান হজম করতে হচ্ছিল। জিম্বাবুয়ের সঙ্গে অন্তত ২৭০ রান অবশ্যই তাড়া করার মতো ছিল। এই কন্ডিশনে আমাদের জেতা উচিত ছিল, আমরা আসলে ভালো খেলিনি।”

জিম্বাবুয়ে ম্যাচে সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান উদ্বোধনী জুটিতে ৪৭ রান তুলেছিলেন, যা ছিল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি। তাসকিন মনে করেন, একটি ভালো জুটি গড়তে পারলেই ম্যাচটি জেতা সম্ভব হতো। তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত আমরা একটিও বড় জুটি গড়তে পারিনি। একটি জুটি হলেই খেলাটা আমাদের পক্ষে চলে আসতো। আমাদের ব্যাটিংয়ে প্রায়শই এমন ভুল হয়ে থাকে। যদিও বোলিংয়ে ধারাবাহিকতা আগের চেয়ে বেড়েছে, তবুও আজ ব্যাটারদেরই জেতানো উচিত ছিল, কিন্তু তারা তা পারেনি।”

ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্য তাদের সামর্থ্য নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলেননি তাসকিন। বরং ম্যাচ পরিস্থিতি বুঝতে না পারাকেই মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ম্যাচ পরিস্থিতি বুঝতে পারার ঘাটতিটা একটু বেশি। কারণ, সবারই স্কিল আছে। প্রতিটি ব্যাটসম্যানই প্রমাণ করেছে যে তারা ভালো ব্যাট করতে পারে। কিন্তু মাঝে মাঝে দল হিসেবে আমরা চাপে পড়লে দ্রুত ভেঙে পড়ি। বড় দল হতে চাইলে এই দুর্বলতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আমি নিশ্চিত, এটি নিয়ে আমরা সবাই মিলে কাজ করছি, কীভাবে দ্রুত এর সমাধান করা যায়।”

২ ম্যাচের সিরিজে প্রথমটিতে হেরে ফাইনালের লড়াই থেকে কিছুটা পিছিয়ে পড়লেও ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তাসকিন। তিনি বলেন, “এখনও একটি ম্যাচ বাকি আছে। আমরা চাই ভালোভাবে লড়াই করে ফিরে এসে যেন ফাইনাল খেলতে পারি।”

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ব্যাটারদের জেতা উচিত ছিল, পারেনি: তাসকিন আহমেদ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:০০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং শুরু করেও বাংলাদেশ হেরে যাওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, বোলারদের ভালো পারফরম্যান্সের পরও ব্যাটাররা ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে না পারায় পরাজয় এসেছে।

তাসকিনের মতে, বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ম্যাচের উইকেট বোলারদের চেয়ে ব্যাটারদের জন্যই বেশি সহায়ক ছিল। এমন একটি পিচেও বাংলাদেশ ১৭২ রানে অলআউট হওয়ায় ব্যাটারদের দায় দেখছেন তিনি। তাসকিন বলেন, “আজকের পিচ যেরকম ছিল, আমরা বল করার সময় দেখেছি, একটু এদিক-ওদিক হলেই রান হজম করতে হচ্ছিল। জিম্বাবুয়ের সঙ্গে অন্তত ২৭০ রান অবশ্যই তাড়া করার মতো ছিল। এই কন্ডিশনে আমাদের জেতা উচিত ছিল, আমরা আসলে ভালো খেলিনি।”

জিম্বাবুয়ে ম্যাচে সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান উদ্বোধনী জুটিতে ৪৭ রান তুলেছিলেন, যা ছিল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি। তাসকিন মনে করেন, একটি ভালো জুটি গড়তে পারলেই ম্যাচটি জেতা সম্ভব হতো। তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত আমরা একটিও বড় জুটি গড়তে পারিনি। একটি জুটি হলেই খেলাটা আমাদের পক্ষে চলে আসতো। আমাদের ব্যাটিংয়ে প্রায়শই এমন ভুল হয়ে থাকে। যদিও বোলিংয়ে ধারাবাহিকতা আগের চেয়ে বেড়েছে, তবুও আজ ব্যাটারদেরই জেতানো উচিত ছিল, কিন্তু তারা তা পারেনি।”

ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্য তাদের সামর্থ্য নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলেননি তাসকিন। বরং ম্যাচ পরিস্থিতি বুঝতে না পারাকেই মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ম্যাচ পরিস্থিতি বুঝতে পারার ঘাটতিটা একটু বেশি। কারণ, সবারই স্কিল আছে। প্রতিটি ব্যাটসম্যানই প্রমাণ করেছে যে তারা ভালো ব্যাট করতে পারে। কিন্তু মাঝে মাঝে দল হিসেবে আমরা চাপে পড়লে দ্রুত ভেঙে পড়ি। বড় দল হতে চাইলে এই দুর্বলতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আমি নিশ্চিত, এটি নিয়ে আমরা সবাই মিলে কাজ করছি, কীভাবে দ্রুত এর সমাধান করা যায়।”

২ ম্যাচের সিরিজে প্রথমটিতে হেরে ফাইনালের লড়াই থেকে কিছুটা পিছিয়ে পড়লেও ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তাসকিন। তিনি বলেন, “এখনও একটি ম্যাচ বাকি আছে। আমরা চাই ভালোভাবে লড়াই করে ফিরে এসে যেন ফাইনাল খেলতে পারি।”