আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিচারকাজ কারাগারে রেখেই ভার্চুয়ালি পরিচালনার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়।
এর আগে জিয়াউল আহসানের আইনজীবী তার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছিলেন। পরবর্তীতে প্রসিকিউশন পক্ষ তাকে কারাগারে রেখে ভার্চুয়ালি বিচার প্রক্রিয়া পরিচালনার আর্জি জানায়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন।
প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম জানান, আসামির সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেই ট্রাইব্যুনাল এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এই মামলায় এ পর্যন্ত ১৫ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দিয়েছেন। তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় এখন আসামিপক্ষের জেরা শুরু হবে।
শতাধিক গুম ও খুনের অভিযোগে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাটি দায়ের করা হয়। গত বছর তার বিরুদ্ধে তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আমলে নিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল।


























