ভারতে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে আটক হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রধান অভিজিৎ দীপকে। আটকের ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগেই এক অনুষ্ঠানে নিজের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও পারিবারিক জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছিলেন তিনি। সেসময় তিনি আফসোস করে বলেছিলেন, তার রাজনৈতিক জীবন ও আন্দোলনের কারণে তার চেয়ে বেশি কষ্ট ভোগ করতে হয়েছে তার পরিবারকে।
অভিজিতের আটকের খবর যখন জানা যায়, তার ঠিক পরপরই মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলায় তার ৮৫ বছর বয়সী দাদি সাবিত্রীবাই শঙ্কর দীপকে মারা যান। পারিবারিক সূত্রের তথ্য মতে, তিনি রাজনৈতিক কাজে দিল্লিতে যাচ্ছিলেন, তবে বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ নামার পরপরই পুলিশ তাকে নিরাপত্তা হেফাজতে নিয়ে নেয়। দাদির শেষকৃত্যে তিনি অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আগের দিনের এক মতবিনিময় সভায় অভিজিৎ জানান, তিনি পুনে ও যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করলেও তার পরিবারের বাকি স্বজনরা এখনো সাধারণ কৃষিকাজ ও মজুরির সঙ্গেই যুক্ত। উচ্চশিক্ষিত হলেও গ্রামের মানুষের মৌলিক জীবনের কোনো উন্নয়ন না হওয়া তাকে রাজনীতি ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অনুপ্রাণিত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরার সময় যেকোনো মুহূর্ত গ্রেপ্তার হতে পারেন—এমন মানসিক প্রস্তুতি তার ছিল বলেও উল্লেখ করেন এই রাজনৈতিক নেতা। তিনি জানান, দীর্ঘদিনের জেল হওয়ার শঙ্কায় নিজের ব্যক্তিগত জিনিসপত্রও তিনি খুব কম নিয়ে দেশে ফিরেছিলেন। তার এই আটকের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন অভিজিতের পরিবারের সদস্যরা।























