২০২৬ সালের বিজ্ঞান শাখার নোবেল পুরস্কারগুলো মানবজাতির গবেষণার দিগন্তকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। চিকিৎসা, পদার্থ ও রসায়নে ঘোষিত এ বছরের আবিষ্কারগুলো যেন বিজ্ঞানের মৌলিক কল্পনার এক অনন্য বাস্তব রূপায়ণ।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে আলোর সাহায্যে মস্তিষ্কের একক স্নায়ুকোষ নিয়ন্ত্রণের বৈপ্লবিক পদ্ধতি ‘অপটোজেনেটিকস’ আবিষ্কারের জন্য স্বীকৃতি পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী কার্ল ডেইসারোথ, পিটার হেগম্যান ও জর্জ নাগেল। এই পদ্ধতির মাধ্যমে স্নায়বিক রোগ, বিষণ্ণতা কিংবা স্মৃতিভ্রমের মতো জটিল রোগের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ ও নিরাময়ের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।
পদার্থবিজ্ঞানে মহাবিশ্বের অতীব রহস্যময় ‘নিউট্রিনো’ কণা শনাক্তকরণের গবেষণায় ভূষিত হয়েছেন বেলজিয়ান-আমেরিকান বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হালজেন। অ্যান্টার্কটিকার বরফের তলদেশে বিশালাকার মানমন্দির গড়ে এই ছায়াময় কণা পর্যবেক্ষণের পথ দেখান তিনি। অন্যদিকে, রসায়নে আণবিক অসমতা ও নিরাপদ ওষুধ তৈরির পথ খুলে দিয়ে নোবেল জিতে নিয়েছেন ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি কাগান ও জাপানের বিজ্ঞানী কেনসো সোয়াই।


























