Dhaka ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

স্মার্টফোনের চড়া দামে বিকল্প পছন্দ: ব্যবহৃত ও রিফারবিশড ডিভাইসের মৌলিক পার্থক্য

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:১৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে

স্মার্টফোনের বাজারে নিত্যনতুন মডেলের উচ্চমূল্যের কারণে সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে ‘রিফারবিশড’ ও ‘প্রি-ওনড’ (ব্যবহৃত) ডিভাইসের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। তবে দুটি প্রযুক্তিগত শব্দকে এক মনে করা হলেও এদের কারিগরি ও গুণগত প্রক্রিয়ায় মৌলিক ফারাক রয়েছে। ‘প্রি-ওনড’ বা ব্যবহৃত ফোন বলতে কোনো পরিবর্তন ছাড়া পূর্বের মালিক যেভাবে ব্যবহার করেছেন, ঠিক সেই অবস্থাতেই বিক্রি করা ডিভাইসকে বোঝায়। অন্যদিকে, ‘রিফারবিশড’ ফোন বলতে এমন এক পুনর্নবীকরণ প্রক্রিয়াকে বোঝায়—যেখানে ফোনটি কারিগরি পরীক্ষা, পরিষ্কার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটারি বা নষ্ট যন্ত্রাংশ বদলে পুনরায় বিক্রির উপযোগী করা হয়।

সব রিফারবিশড ফোনের গুণগত মান এক নয়; এটি কে বা কোন প্রতিষ্ঠান সংস্কার করেছে তার ওপর নির্ভর করে। অ্যাপল কিংবা স্যামসাংয়ের মতো মূল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের ‘সার্টিফায়েড রিফারবিশড’ ফোনে নতুন ব্যাটারি, বডি কাভার ও অফিসিয়াল যন্ত্রাংশ ব্যবহারের পাশাপাশি নতুন ফোনের মতোই এক বছরের পূর্ণ ওয়ারেন্টি মেলে। বিপরীতে, ইবে বা ব্যাক মার্কেটের মতো তৃতীয় পক্ষের প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধিত সংস্কারকদের মাধ্যমে বিক্রি করা ফোনে অন্তত ৮০ শতাংশ ব্যাটারি স্বাস্থ্য, তথ্যের সুরক্ষায় ফ্যাক্টরি রিসেট এবং নির্দিষ্ট মেয়াদের বিক্রেতা ওয়ারেন্টি নিশ্চিত করা হয়। তবে অস্পষ্ট উৎস বা সাধারণ ‘সেলার রিফারবিশড’ ডিভাইসের ক্ষেত্রে এই মান রক্ষা না-ও হতে পারে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্পষ্ট তথ্যের কোনো বিক্রেতার কাছ থেকে বেশি দাম দিয়ে রিফারবিশড ফোন কেনার চেয়ে পরিচিত উৎস থেকে ভালো অবস্থায় থাকা ‘প্রি-ওনড’ বা ব্যবহৃত ফোন কেনা তুলনামূলক নিরাপদ ও সাশ্রয়ী হতে পারে। তাই যেকোনো পুরোনো ফোন কেনার আগে কেবল নাম দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে ব্যাটারির কার্যক্ষমতা, আইএমইআই (IMEI) নম্বর, আইক্লাউড বা গুগল অ্যাকাউন্ট লক মুক্ত থাকা, মোবাইল নেটওয়ার্কের সামঞ্জস্যতা এবং রিটার্ন পলিসি ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া আবশ্যক।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

স্মার্টফোনের চড়া দামে বিকল্প পছন্দ: ব্যবহৃত ও রিফারবিশড ডিভাইসের মৌলিক পার্থক্য

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:১৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্মার্টফোনের বাজারে নিত্যনতুন মডেলের উচ্চমূল্যের কারণে সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে ‘রিফারবিশড’ ও ‘প্রি-ওনড’ (ব্যবহৃত) ডিভাইসের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। তবে দুটি প্রযুক্তিগত শব্দকে এক মনে করা হলেও এদের কারিগরি ও গুণগত প্রক্রিয়ায় মৌলিক ফারাক রয়েছে। ‘প্রি-ওনড’ বা ব্যবহৃত ফোন বলতে কোনো পরিবর্তন ছাড়া পূর্বের মালিক যেভাবে ব্যবহার করেছেন, ঠিক সেই অবস্থাতেই বিক্রি করা ডিভাইসকে বোঝায়। অন্যদিকে, ‘রিফারবিশড’ ফোন বলতে এমন এক পুনর্নবীকরণ প্রক্রিয়াকে বোঝায়—যেখানে ফোনটি কারিগরি পরীক্ষা, পরিষ্কার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটারি বা নষ্ট যন্ত্রাংশ বদলে পুনরায় বিক্রির উপযোগী করা হয়।

সব রিফারবিশড ফোনের গুণগত মান এক নয়; এটি কে বা কোন প্রতিষ্ঠান সংস্কার করেছে তার ওপর নির্ভর করে। অ্যাপল কিংবা স্যামসাংয়ের মতো মূল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের ‘সার্টিফায়েড রিফারবিশড’ ফোনে নতুন ব্যাটারি, বডি কাভার ও অফিসিয়াল যন্ত্রাংশ ব্যবহারের পাশাপাশি নতুন ফোনের মতোই এক বছরের পূর্ণ ওয়ারেন্টি মেলে। বিপরীতে, ইবে বা ব্যাক মার্কেটের মতো তৃতীয় পক্ষের প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধিত সংস্কারকদের মাধ্যমে বিক্রি করা ফোনে অন্তত ৮০ শতাংশ ব্যাটারি স্বাস্থ্য, তথ্যের সুরক্ষায় ফ্যাক্টরি রিসেট এবং নির্দিষ্ট মেয়াদের বিক্রেতা ওয়ারেন্টি নিশ্চিত করা হয়। তবে অস্পষ্ট উৎস বা সাধারণ ‘সেলার রিফারবিশড’ ডিভাইসের ক্ষেত্রে এই মান রক্ষা না-ও হতে পারে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্পষ্ট তথ্যের কোনো বিক্রেতার কাছ থেকে বেশি দাম দিয়ে রিফারবিশড ফোন কেনার চেয়ে পরিচিত উৎস থেকে ভালো অবস্থায় থাকা ‘প্রি-ওনড’ বা ব্যবহৃত ফোন কেনা তুলনামূলক নিরাপদ ও সাশ্রয়ী হতে পারে। তাই যেকোনো পুরোনো ফোন কেনার আগে কেবল নাম দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে ব্যাটারির কার্যক্ষমতা, আইএমইআই (IMEI) নম্বর, আইক্লাউড বা গুগল অ্যাকাউন্ট লক মুক্ত থাকা, মোবাইল নেটওয়ার্কের সামঞ্জস্যতা এবং রিটার্ন পলিসি ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া আবশ্যক।