Dhaka ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা: স্থানীয় পর্যায়ে দায়িত্ব থাকলেও সম্পদের ঘাটতি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:১৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুম সামনে রেখে উপকূলীয় এলাকার মানুষের মধ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশে আগাম সতর্কবার্তা ও আশ্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রাণহানি কমানোর ক্ষেত্রে সাফল্য থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ে এখনো কিছু ঘাটতি রয়ে গেছে। দুর্যোগের সময় ত্রাণ সহায়তার সরকারি বরাদ্দ থাকলেও দুর্যোগ আঘাত হানার আগের প্রস্তুতিমূলক কাজের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের হাতে তাৎক্ষণিক ব্যয়ের তহবিল সীমিত।

দুর্যোগবিষয়ক স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী জাতীয় পর্যায় থেকে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি রয়েছে। এসব কমিটির মূল কাজ হলো ঝুঁকি মূল্যায়ন, সতর্কবার্তা প্রচার এবং জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া। তবে প্রয়োজনীয় সম্পদ ও কারিগরি সহায়তার অভাবে স্থানীয় কমিটিগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দুর্যোগ আঘাত হানার আগেই স্থানীয় পর্যায়ে নিশ্চিত তহবিলের ব্যবস্থা করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কক্সবাজারের মতো দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের তহবিলে পরীক্ষামূলকভাবে আপৎকালীন অর্থায়নের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এছাড়া আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবারের পাশাপাশি রান্না করা খাবার ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য আগাম নগদ সহায়তা দেওয়া হলে তা দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা: স্থানীয় পর্যায়ে দায়িত্ব থাকলেও সম্পদের ঘাটতি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:১৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুম সামনে রেখে উপকূলীয় এলাকার মানুষের মধ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশে আগাম সতর্কবার্তা ও আশ্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রাণহানি কমানোর ক্ষেত্রে সাফল্য থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ে এখনো কিছু ঘাটতি রয়ে গেছে। দুর্যোগের সময় ত্রাণ সহায়তার সরকারি বরাদ্দ থাকলেও দুর্যোগ আঘাত হানার আগের প্রস্তুতিমূলক কাজের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের হাতে তাৎক্ষণিক ব্যয়ের তহবিল সীমিত।

দুর্যোগবিষয়ক স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী জাতীয় পর্যায় থেকে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি রয়েছে। এসব কমিটির মূল কাজ হলো ঝুঁকি মূল্যায়ন, সতর্কবার্তা প্রচার এবং জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া। তবে প্রয়োজনীয় সম্পদ ও কারিগরি সহায়তার অভাবে স্থানীয় কমিটিগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দুর্যোগ আঘাত হানার আগেই স্থানীয় পর্যায়ে নিশ্চিত তহবিলের ব্যবস্থা করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কক্সবাজারের মতো দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের তহবিলে পরীক্ষামূলকভাবে আপৎকালীন অর্থায়নের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এছাড়া আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবারের পাশাপাশি রান্না করা খাবার ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য আগাম নগদ সহায়তা দেওয়া হলে তা দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।