ভারতের গুরুগ্রামের বাসিন্দা ৪৩ বছর বয়সী প্রকৌশলী সম্ভব জৈন বহুতল ভবনের ৪৩ তলা থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। দীর্ঘদিনের মানসিক অবসাদ, সন্তানের চিকিৎসার বিপুল খরচ, স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক কলহ এবং ঋণের বোঝা সইতে না পেরে তিনি এই চরম পথ বেছে নেন বলে জানা গেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নয়ডার একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সম্ভবের ২০২৫ সালে একটি পুত্রসন্তান জন্ম নেয়। জন্মের পর থেকেই শিশুটি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিল, যার চিকিৎসায় প্রায় ৪০ লাখ টাকা খরচ হয়। এরই মধ্যে দাম্পত্য কলহের জেরে তার স্ত্রী বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন এবং প্রথমে এক কোটি টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে তা ১৫ লাখ টাকায় রফা হয়, যার মধ্যে সাত লাখ টাকা পরিশোধ করেছিলেন সম্ভব। বাকি টাকা কিস্তিতে দেওয়ার কথা ছিল।
পুলিশ জানায়, বিপুল চিকিৎসা ব্যয়, বিবাহবিচ্ছেদের দেনমোহর ও অন্যান্য ঋণের চাপে সম্ভব তীব্র মানসিক সংকটে পড়েন। মৃত্যুর কয়েক দিন আগে বাবার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথনেও তিনি নিজের আত্মহত্যার চিন্তার কথা জানিয়েছিলেন। ঘটনার আগের দিন তিনি নয়ডার একটি বহুতল ভবনে ঘর ভাড়া নেন এবং শনিবার সকালে বারান্দা থেকে নিচে ঝাঁপ দেন। পাশের ঘরের কয়েকজন কর্মী তাকে নিরস্ত করার চেষ্টা করলেও তিনি হতাশার কথা জানিয়ে লাফিয়ে পড়েন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।























