Dhaka ০৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

এশিয়ান ফুটবলে আসছে নেশনস লিগ: বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপে সরাসরি সুযোগ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:২২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৮ বার দেখা হয়েছে

এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এশিয়ান ফুটবলের গতিপথ এবং বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের চেনা সমীকরণ এক ঝটকায় বদলে দিতে চলেছে। ইউরোপীয় ফুটবলের অনুসরণে এশিয়াতেও চালু হতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত ‘নেশনস লিগ’!

বিশ্বস্ত সূত্রে ইএসপিএন জানিয়েছে, ২০৩০ সাল থেকে দ্বিবার্ষিক এই মেগা টুর্নামেন্ট শুরুর চূড়ান্ত প্রস্তাব মঙ্গলবার সদস্য দেশগুলোর সামনে তুলে ধরা হবে। পুরো এশিয়ার ফুটবল পরাশক্তি ও অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলগুলোকে তিনটি টায়ারে বিভক্ত করে তৈরি করা হচ্ছে এই নতুন রোমাঞ্চকর লড়াই, যেখানে সরাসরি টিকিট মিলবে ফুটবল বিশ্বকাপ এবং এশিয়ান কাপের।

নতুন ফরম্যাট অনুযায়ী, প্রথম দুটি টায়ারে ১৮টি করে এবং তৃতীয় টায়ারে ১১টি দেশ অংশ নেবে। ২০৩২-৩৩ মৌসুমের প্রথম বিশ্বকাপকেন্দ্রিক নেশনস লিগে হোম-অ্যান্ড-অ্যাওয়ে ভিত্তিতে ১২টি ম্যাচ খেলতে হবে। সেরা টায়ারের শীর্ষ ৬টি দল কোনো রকম বাধা ছাড়াই সরাসরি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে।

এরপর সপ্তম থেকে দশম স্থানে থাকা চার দেশের মধ্যে হবে বাঁচা-মরার প্লে-অফ যুদ্ধ, যেখান থেকে আরও দুটি দল সরাসরি বিশ্বকাপে যাবে এবং তৃতীয় দলটি টিকিট পাবে ইন্টারকন্টিনেন্টাল বা আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফের। এতে করে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে ওঠার লড়াইটি আরও তীব্র ও ঘটনাবহুল হতে চলেছে।

শুধু বিশ্বকাপই নয়, এশিয়ান কাপেরও ভাগ্য নির্ধারণ করবে এই নেশনস লিগ। এই নতুন উদ্যোগকে মসৃণ করতে ২০৩১ সালের এশিয়ান কাপকে পিছিয়ে ২০৩২ সালে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যেখানে প্রথম টায়ারের সব দেশ এবং দ্বিতীয় টায়ারের শীর্ষ ৬টি দল সরাসরি এশিয়ান কাপে জায়গা করে নেবে।

প্রতিটি আসর শেষে টায়ারের শীর্ষ ও তলানির দুটি দলের মধ্যে থাকবে ওঠা-নামার নির্মম সমীকরণ, সাথে থাকছে উত্তেজনার প্লে-অফ লড়াই। আর টুর্নামেন্টের সার্বিক চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণে প্রথম টায়ারের সেরা ৮ দলকে নিয়ে আয়োজিত হবে নকআউট পর্ব, যা শেষ হবে এক সেন্ট্রাল ভেন্যুতে ফাইনাল ট্রফি উঁচিয়ে ধরে।

অপ্রয়োজনীয় খরচ ও ফাঁকা ম্যাচ-ডের অভাব এড়াতে স্বাধীন কোনো টুর্নামেন্ট না বানিয়ে মূল বাছাইপর্বকেই নেশনস লিগে রূপান্তর করার এই মাস্টারপ্ল্যান এনেছে এএফসি। তবে দলগুলোর মধ্যে শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে কোনো ভৌগোলিক বা আঞ্চলিক বিভাজন থাকছে না, বরং ড্রয়ের মাধ্যমে তৈরি হবে অ্যালগরিদম-ভিত্তিক আকর্ষণীয় ফিক্সচার।

চূড়ান্তভাবে চালুর আগে ২০২৮-২৯ মৌসুমে একটি পাইলট বা পরীক্ষামূলক টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে, যার ফলাফলের ভিত্তিতেই ২০৩০ সালের মূল নেশনস লিগের টায়ার বা স্তরগুলো নির্ধারিত হবে। এশিয়ান ফুটবলের এই বিশাল মেকওভার ফুটবল ভক্তদের উন্মাদনা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে তা বলাই বাহুল্য।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

এশিয়ান ফুটবলে আসছে নেশনস লিগ: বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপে সরাসরি সুযোগ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:২২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এশিয়ান ফুটবলের গতিপথ এবং বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের চেনা সমীকরণ এক ঝটকায় বদলে দিতে চলেছে। ইউরোপীয় ফুটবলের অনুসরণে এশিয়াতেও চালু হতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত ‘নেশনস লিগ’!

বিশ্বস্ত সূত্রে ইএসপিএন জানিয়েছে, ২০৩০ সাল থেকে দ্বিবার্ষিক এই মেগা টুর্নামেন্ট শুরুর চূড়ান্ত প্রস্তাব মঙ্গলবার সদস্য দেশগুলোর সামনে তুলে ধরা হবে। পুরো এশিয়ার ফুটবল পরাশক্তি ও অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলগুলোকে তিনটি টায়ারে বিভক্ত করে তৈরি করা হচ্ছে এই নতুন রোমাঞ্চকর লড়াই, যেখানে সরাসরি টিকিট মিলবে ফুটবল বিশ্বকাপ এবং এশিয়ান কাপের।

নতুন ফরম্যাট অনুযায়ী, প্রথম দুটি টায়ারে ১৮টি করে এবং তৃতীয় টায়ারে ১১টি দেশ অংশ নেবে। ২০৩২-৩৩ মৌসুমের প্রথম বিশ্বকাপকেন্দ্রিক নেশনস লিগে হোম-অ্যান্ড-অ্যাওয়ে ভিত্তিতে ১২টি ম্যাচ খেলতে হবে। সেরা টায়ারের শীর্ষ ৬টি দল কোনো রকম বাধা ছাড়াই সরাসরি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে।

এরপর সপ্তম থেকে দশম স্থানে থাকা চার দেশের মধ্যে হবে বাঁচা-মরার প্লে-অফ যুদ্ধ, যেখান থেকে আরও দুটি দল সরাসরি বিশ্বকাপে যাবে এবং তৃতীয় দলটি টিকিট পাবে ইন্টারকন্টিনেন্টাল বা আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফের। এতে করে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে ওঠার লড়াইটি আরও তীব্র ও ঘটনাবহুল হতে চলেছে।

শুধু বিশ্বকাপই নয়, এশিয়ান কাপেরও ভাগ্য নির্ধারণ করবে এই নেশনস লিগ। এই নতুন উদ্যোগকে মসৃণ করতে ২০৩১ সালের এশিয়ান কাপকে পিছিয়ে ২০৩২ সালে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যেখানে প্রথম টায়ারের সব দেশ এবং দ্বিতীয় টায়ারের শীর্ষ ৬টি দল সরাসরি এশিয়ান কাপে জায়গা করে নেবে।

প্রতিটি আসর শেষে টায়ারের শীর্ষ ও তলানির দুটি দলের মধ্যে থাকবে ওঠা-নামার নির্মম সমীকরণ, সাথে থাকছে উত্তেজনার প্লে-অফ লড়াই। আর টুর্নামেন্টের সার্বিক চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণে প্রথম টায়ারের সেরা ৮ দলকে নিয়ে আয়োজিত হবে নকআউট পর্ব, যা শেষ হবে এক সেন্ট্রাল ভেন্যুতে ফাইনাল ট্রফি উঁচিয়ে ধরে।

অপ্রয়োজনীয় খরচ ও ফাঁকা ম্যাচ-ডের অভাব এড়াতে স্বাধীন কোনো টুর্নামেন্ট না বানিয়ে মূল বাছাইপর্বকেই নেশনস লিগে রূপান্তর করার এই মাস্টারপ্ল্যান এনেছে এএফসি। তবে দলগুলোর মধ্যে শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে কোনো ভৌগোলিক বা আঞ্চলিক বিভাজন থাকছে না, বরং ড্রয়ের মাধ্যমে তৈরি হবে অ্যালগরিদম-ভিত্তিক আকর্ষণীয় ফিক্সচার।

চূড়ান্তভাবে চালুর আগে ২০২৮-২৯ মৌসুমে একটি পাইলট বা পরীক্ষামূলক টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে, যার ফলাফলের ভিত্তিতেই ২০৩০ সালের মূল নেশনস লিগের টায়ার বা স্তরগুলো নির্ধারিত হবে। এশিয়ান ফুটবলের এই বিশাল মেকওভার ফুটবল ভক্তদের উন্মাদনা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে তা বলাই বাহুল্য।