সোমালিয়ায় ইসরাইলের উপস্থিতি ‘কোনো পরিস্থিতিতেই’ মেনে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামাদ। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সোমালিয়াকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটে জড়ানোর যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হবে।
প্রেসিডেন্ট মোহামাদ দাবি করেন, ইসরাইল সোমালিল্যান্ডের বন্দরনগরী বারবেরায় নৌঘাঁটি স্থাপন এবং বিমানবন্দর ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। তার অভিযোগ, এর মাধ্যমে ইসরাইল উপসাগরীয় দেশ ও ইরানের কাছাকাছি কৌশলগত অবস্থান তৈরি করতে চায়।
বারবেরা হলো সোমালিল্যান্ডের এডেন উপসাগরীয় উপকূলের একটি বন্দর শহর। সোমালিল্যান্ড উত্তর-পশ্চিম সোমালিয়ার একটি স্ব-ঘোষিত প্রজাতন্ত্র, যাকে ইসরাইল গত বছর (২০২৫ সাল) স্বীকৃতি দিলেও মোগাদিশু (সোমালিয়া সরকার) এর ওপর নিজেদের দাবি বজায় রেখেছে।
হাসান শেখ মোহামাদ ইসরাইলকে ‘অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী শক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দেশটি আন্তর্জাতিক আইন মানে না।
এদিকে, সোমালিয়ার সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সবচেয়ে শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, আল-শাবাব বড় শহরগুলোতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। ইথিওপিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও ইতিবাচক মন্তব্য করেন মোহামাদ। অর্থনৈতিক স্বার্থে সোমালিয়ার বন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে ইথিওপিয়ার সমুদ্রপথে প্রবেশাধিকারে মোগাদিশুর আপত্তি নেই বলেও জানান তিনি।























