দেশের গভীর অর্থনৈতিক সংকট ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা পাশ কাটিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ব্যস্ত পাকিস্তান সরকার। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ এমন একসময়ে চলছে, যখন খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানে একের পর এক সন্ত্রাসী হামলা এবং বিরোধী দল পিটিআইয়ের নেতাকর্মীদের ওপর দমনপীড়নে দেশটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক।
বিশ্লেষকদের মতে, তৃতীয় বিশ্বের সংকটগ্রস্ত শাসকরা সাধারণত উন্নয়নের ভুল বার্তা প্রচার এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির আড়ালে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সচেষ্ট থাকে। পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সামরিক শক্তির প্রভাব এবং নওয়াজ মুসলিম লীগ ও পিপিপির যৌথ জোটের কর্তৃত্ববাদী শাসন জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে সংকুচিত করছে। এর ফলে দেশটির অখণ্ডতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ইতিহাস সাক্ষী দেয় যে, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ছাড়া কেবল সামরিক শক্তির ওপর নির্ভর করে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা অর্জন সম্ভব নয়। একাত্তরের যুদ্ধের শিক্ষা ভুলে গিয়ে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী পাকিস্তানকে ফের এক চরম বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।























