Dhaka ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ফিলিস্তিনিদের যাতায়াতের পাশাপাশি জরুরি চিকিৎসাসেবা পাওয়ার পথও সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৩৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৫ বার দেখা হয়েছে

দখলকৃত পশ্চিম তীরের প্রাণকেন্দ্র রামাল্লা ও আল-বিরেহ শহরের চারপাশের চেকপোস্টগুলোতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর কঠোর অবরোধ এবং অতিরিক্ত কড়াকড়ির ফলে একটি চরম মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আতারো, আইন সিনিয়া ও জাবাসহ প্রধান প্রধান চেকপোস্টগুলোতে শত শত গাড়ির দীর্ঘ লাইন তৈরি হওয়ায় ফিলিস্তিনি নাগরিকরা দীর্ঘ সময় সড়কে আটকে থেকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ইহুদিদের বিভিন্ন ছুটির দিনকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলি বাহিনী এই কড়াকড়ি আরও বাড়িয়ে দিলেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত, পেশাগত কার্যক্রম ও কর্মসংস্থান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক যাত্রীকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়িতে বা বিকল্প পথে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।

এই কঠোর সামরিক বিধিনিষেধের কারণে কেবল সাধারণ যাতায়াতই নয়, বরং জীবন রক্ষাকারী জরুরি চিকিৎসাসেবা পাওয়ার পথও মারাত্মকভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। আতারো চেকপোস্টে মুমূর্ষু এক রোগীকে ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে অ্যাম্বুলেন্সে স্থানান্তর করার মতো মর্মান্তিক ঘটনাও ঘটেছে। ফিলিস্তিনি কলোনাইজেশন অ্যান্ড ওয়াল রেজিস্ট্যান্স কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রামাল্লা ও আল-বিরেহ গভর্নরেট জুড়েই বর্তমানে ১৬০টি স্থায়ী চেকপোস্ট ও যাতায়াত বন্ধের পয়েন্ট রয়েছে, যা হেব্রনের পর পশ্চিম তীরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যা। সমগ্র দখলকৃত পশ্চিম তীর জুড়ে এ ধরনের প্রায় ৯৪২টি চেকপোস্ট, ব্যারিকেড ও চলাচলের বাধা চিহ্নিত করা হয়েছে।

জাতিসংঘ মানবিক সহায়তা সমন্বয় দফতর (ওসিএইচএ) সতর্ক করে জানিয়েছে যে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এই ধরনের বাধা ফিলিস্তিনিদের ঘুরতি ও দীর্ঘ পথ ব্যবহারে বাধ্য করছে, যার ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অতীতেও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবের সময় কড়াকড়ির নজির থাকলেও এবারের মাত্রা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি তীব্র। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো ফিলিস্তিনিদের অবাধ চলাচলের মৌলিক অধিকার অবিলম্বে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানালেও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাদের কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে, ফলে রামাল্লা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দারা এক অনিশ্চিত ও অবরুদ্ধ পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ফিলিস্তিনিদের যাতায়াতের পাশাপাশি জরুরি চিকিৎসাসেবা পাওয়ার পথও সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৩৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দখলকৃত পশ্চিম তীরের প্রাণকেন্দ্র রামাল্লা ও আল-বিরেহ শহরের চারপাশের চেকপোস্টগুলোতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর কঠোর অবরোধ এবং অতিরিক্ত কড়াকড়ির ফলে একটি চরম মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আতারো, আইন সিনিয়া ও জাবাসহ প্রধান প্রধান চেকপোস্টগুলোতে শত শত গাড়ির দীর্ঘ লাইন তৈরি হওয়ায় ফিলিস্তিনি নাগরিকরা দীর্ঘ সময় সড়কে আটকে থেকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ইহুদিদের বিভিন্ন ছুটির দিনকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলি বাহিনী এই কড়াকড়ি আরও বাড়িয়ে দিলেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত, পেশাগত কার্যক্রম ও কর্মসংস্থান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক যাত্রীকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়িতে বা বিকল্প পথে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।

এই কঠোর সামরিক বিধিনিষেধের কারণে কেবল সাধারণ যাতায়াতই নয়, বরং জীবন রক্ষাকারী জরুরি চিকিৎসাসেবা পাওয়ার পথও মারাত্মকভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। আতারো চেকপোস্টে মুমূর্ষু এক রোগীকে ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে অ্যাম্বুলেন্সে স্থানান্তর করার মতো মর্মান্তিক ঘটনাও ঘটেছে। ফিলিস্তিনি কলোনাইজেশন অ্যান্ড ওয়াল রেজিস্ট্যান্স কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রামাল্লা ও আল-বিরেহ গভর্নরেট জুড়েই বর্তমানে ১৬০টি স্থায়ী চেকপোস্ট ও যাতায়াত বন্ধের পয়েন্ট রয়েছে, যা হেব্রনের পর পশ্চিম তীরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যা। সমগ্র দখলকৃত পশ্চিম তীর জুড়ে এ ধরনের প্রায় ৯৪২টি চেকপোস্ট, ব্যারিকেড ও চলাচলের বাধা চিহ্নিত করা হয়েছে।

জাতিসংঘ মানবিক সহায়তা সমন্বয় দফতর (ওসিএইচএ) সতর্ক করে জানিয়েছে যে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এই ধরনের বাধা ফিলিস্তিনিদের ঘুরতি ও দীর্ঘ পথ ব্যবহারে বাধ্য করছে, যার ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অতীতেও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবের সময় কড়াকড়ির নজির থাকলেও এবারের মাত্রা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি তীব্র। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো ফিলিস্তিনিদের অবাধ চলাচলের মৌলিক অধিকার অবিলম্বে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানালেও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাদের কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে, ফলে রামাল্লা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দারা এক অনিশ্চিত ও অবরুদ্ধ পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছেন।