আগামী ৩ অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) লাল বলের টুর্নামেন্ট। এ টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ক্রিকেটারদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্দীপনা। এরই অংশ হিসেবে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অংশগ্রহণকারী সকল বিভাগীয় দলের অধিনায়কদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ ‘ব্যাগি ক্যাপ’ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষে আয়োজিত মিডিয়া সেশনে পারিশ্রমিক বৃদ্ধি ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নিজেদের অনুভূতি ও ভবিষ্যতের দায়িত্বের কথা জানান অধিনায়কেরা।
২০১২ সালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করা অভিজ্ঞ ব্যাটার ইয়াসির আলী রাব্বি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো এনসিএলকে ঘিরে এমন পেশাদার আয়োজন দেখে রোমাঞ্চ প্রকাশ করেন। লাল বলের ক্রিকেটে ব্যাগি ক্যাপের সম্মান ও মর্যাদা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঘরোয়া আসরে এ ধরনের উদ্যোগ জুনিয়র ও উদীয়মান ক্রিকেটারদের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করবে, যা ভবিষ্যতে খেলার সার্বিক মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
একই ধরনের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন সিলেটের অধিনায়ক জাকির হাসান। তিনি উল্লেখ করেন, একজন ক্রিকেটার যেন জাতীয় দলে না থেকেও কেবল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলে নিজের পরিবার ভালোভাবে চালাতে পারেন—এমন একটা আর্থিক নিরাপত্তার প্রয়োজন দীর্ঘদিনের ছিল। বিসিবির এই পদক্ষেপে নতুন ও প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটারদের আর্থিক স্থায়িত্ব আসার পাশাপাশি প্রতিযোগিতার মনোভাব আরও জোরালো হবে।
এদিকে পারিশ্রমিক বৃদ্ধিকে বড় ইতিবাচক বিষয় হিসেবে দেখার পাশাপাশি খেলোয়াড়দের বাড়তি দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেন রংপুরের অধিনায়ক আকবর আলী। তিনি মন্তব্য করেন, বোর্ড ক্রিকেটারদের ভালো পারিশ্রমিক দিচ্ছে, যা ঘরোয়া ক্রিকেটারদের পেশাদারিত্ব বাড়াবে। তবে পারিশ্রমিকের পাশাপাশি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে আরও উন্নত পারফর্ম করে সেই প্রতিদান দেওয়ার দায়িত্বও এখন ক্রিকেটারদের ওপর এসে পড়েছে।

























