Dhaka ০৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইসরাইলবিরোধী অবস্থানে অনড় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:২৪:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি ইসরাইলকে আর ‘সভ্য রাষ্ট্রসমাজের’ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন। অস্ত্র ও সামরিক সহায়তা বন্ধ, ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণ ঠেকানো, ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি বন্ধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রী।

২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত আরব ও ইসলামি দেশগুলোর বিশেষ সম্মেলনে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছিলেন, ইসরাইল ‘সভ্য রাষ্ট্রসমাজের’ অংশ হিসেবে থাকার সীমা অতিক্রম করেছে। ওই সময় তিনি ইসরাইলের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং জাতিসংঘে দেশটির সদস্যপদ স্থগিত বা প্রয়োজনে বহিষ্কারের মতো কঠোর ব্যবস্থা বিবেচনার আহ্বান জানান। মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বক্তব্যেও তার এই অবস্থান প্রতিফলিত হয়।

ওই বক্তব্যের দুই বছর পরও ফিলিস্তিন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ারের অবস্থানে কোনো বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি। বরং ২০২৬ সালের সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলোতে তিনি ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চাপকে আরও কার্যকর ও বাধ্যতামূলক করার ওপর জোর দিয়েছেন।

গত ২১ আগস্ট পশ্চিম তীরের ই১ এলাকায় ইসরাইলের নতুন বসতি নির্মাণের পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি সতর্ক করে বলেন, পূর্ব জেরুজালেমের কাছের এই এলাকায় বসতি নির্মাণ হলে অধিকৃত পশ্চিম তীর কার্যত বিভক্ত হয়ে যাবে এবং একটি সংলগ্ন ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আনোয়ার ইব্রাহিম আরও বলেন, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিগুলো আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অবৈধ হলেও ইসরাইল তা অব্যাহত রেখেছে। গাজায় চলমান ধ্বংসযজ্ঞ এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার মধ্যেই নতুন বসতি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ই১ প্রকল্পে কোনো আন্তর্জাতিক কোম্পানি অংশ নিলে মালয়েশিয়া বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

এরপর ১১ সেপ্টেম্বর ইসরাইলি বসতির বিরুদ্ধে ১২টি পশ্চিমা দেশের ঘোষণাকে স্বাগত জানান মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রী। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুধু বিবৃতি দিলেই হবে না; এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে। ব্রিটেন, কানাডা ও ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশ ইসরাইলি বসতি থেকে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য নিষিদ্ধ বা সীমিত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইসরাইলবিরোধী অবস্থানে অনড় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:২৪:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি ইসরাইলকে আর ‘সভ্য রাষ্ট্রসমাজের’ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন। অস্ত্র ও সামরিক সহায়তা বন্ধ, ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণ ঠেকানো, ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি বন্ধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রী।

২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত আরব ও ইসলামি দেশগুলোর বিশেষ সম্মেলনে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছিলেন, ইসরাইল ‘সভ্য রাষ্ট্রসমাজের’ অংশ হিসেবে থাকার সীমা অতিক্রম করেছে। ওই সময় তিনি ইসরাইলের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং জাতিসংঘে দেশটির সদস্যপদ স্থগিত বা প্রয়োজনে বহিষ্কারের মতো কঠোর ব্যবস্থা বিবেচনার আহ্বান জানান। মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বক্তব্যেও তার এই অবস্থান প্রতিফলিত হয়।

ওই বক্তব্যের দুই বছর পরও ফিলিস্তিন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ারের অবস্থানে কোনো বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি। বরং ২০২৬ সালের সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলোতে তিনি ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চাপকে আরও কার্যকর ও বাধ্যতামূলক করার ওপর জোর দিয়েছেন।

গত ২১ আগস্ট পশ্চিম তীরের ই১ এলাকায় ইসরাইলের নতুন বসতি নির্মাণের পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি সতর্ক করে বলেন, পূর্ব জেরুজালেমের কাছের এই এলাকায় বসতি নির্মাণ হলে অধিকৃত পশ্চিম তীর কার্যত বিভক্ত হয়ে যাবে এবং একটি সংলগ্ন ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আনোয়ার ইব্রাহিম আরও বলেন, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিগুলো আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অবৈধ হলেও ইসরাইল তা অব্যাহত রেখেছে। গাজায় চলমান ধ্বংসযজ্ঞ এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার মধ্যেই নতুন বসতি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ই১ প্রকল্পে কোনো আন্তর্জাতিক কোম্পানি অংশ নিলে মালয়েশিয়া বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

এরপর ১১ সেপ্টেম্বর ইসরাইলি বসতির বিরুদ্ধে ১২টি পশ্চিমা দেশের ঘোষণাকে স্বাগত জানান মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রী। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুধু বিবৃতি দিলেই হবে না; এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে। ব্রিটেন, কানাডা ও ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশ ইসরাইলি বসতি থেকে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য নিষিদ্ধ বা সীমিত করার উদ্যোগ নিয়েছে।