Dhaka ০৬:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

টুর্নামেন্টের লভ্যাংশের ৫০ শতাংশ ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৫১:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

সদ্য ঘোষিত ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ‘ডি-থ্রি’র প্লেয়ার্স ড্রাফটে ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজির আইকন তালিকায় মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ কিংবা নাহিদ রানার মতো জাতীয় দলের কোনো পেসারের জায়গা না পাওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বিষয়টি স্পষ্ট করেন। বিসিবি সভাপতি জানান, পুরো টুর্নামেন্টে খেলোয়াড়দের নিরবচ্ছিন্ন সার্ভিস পাওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখেই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো এমন কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিক সিরিজের ব্যস্ততা এবং খেলোয়াড়দের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট বা কাজের চাপ ব্যবস্থাপনার কারণে পেসারদের পুরো টুর্নামেন্টে পাওয়া নিয়ে সবসময়ই এক ধরনের অনিশ্চয়তা থাকে। সে কারণেই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো প্রথম পিক বা পছন্দের তালিকায় নাঈম শেখ কিংবা মোসাদ্দেক হোসেনের মতো টুর্নামেন্টজুড়ে ফ্রি বা উপলব্ধ ক্রিকেটারদের বেশি প্রাধান্য দিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

নাহিদ রানা, তাসকিন বা মুস্তাফিজদের মতো শীর্ষ পেসারদের প্রথম পিকে দেখলে ব্যক্তিগতভাবে নিজেরও ভালো লাগত বলে মন্তব্য করেন বিসিবি সভাপতি। দল গঠনের ক্ষেত্রে ড্রাফট পদ্ধতির চেয়ে অকশন বা নিলাম পদ্ধতি তাঁর নিজের কাছে বেশি পছন্দনীয় বলে তিনি জানান। তাঁর মতে, অকশন বা নিলামের মাধ্যমে দল গঠিত হলে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির সামনে তাদের পছন্দের ক্রিকেটারকে লড়াই করে নেওয়ার একটি সমান সুযোগ থাকে, অথচ ড্রাফটে কোনো ক্রিকেটার একবার কোনো দলের হয়ে পিক বা নির্বাচিত হয়ে গেলে অন্য দলগুলোর তার জন্য লড়াই করার আর কোনো সুযোগ থাকে না। টুর্নামেন্টের প্রচার ও ব্র্যান্ডিংয়ের ওপর এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তামিম বলেন যে শুরুতেই তাদের কাউকে দলে নেওয়া গেলে তা প্রমোশনের জন্য বেশ ভালো হতো, তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর নিজস্ব থিংক ট্যাংক এবং বিসিবির সরবরাহ করা নির্বাচকদের পরামর্শেই দলগুলো এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সব ফ্র্যাঞ্চাইজির এই স্বতন্ত্র সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সম্মান জানিয়ে বিসিবি সভাপতি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, আগামী ২৬ অক্টোবরের চূড়ান্ত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটাররা শেষ পর্যন্ত কোনো না কোনো দলে ঠিকই যুক্ত হবেন। পাশাপাশি সংবাদ সম্মেলনে টুর্নামেন্টের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও লভ্যাংশ বণ্টন সংক্রান্ত বিষয়েও বিস্তারিত তুলে ধরেন তামিম ইকবাল। তিনি জানান, আসন্ন এই টুর্নামেন্ট থেকে যে মোট রাজস্ব বা আয় আসবে, তার ঠিক ৫০ শতাংশই সমানভাবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে এবং এর মধ্যে সম্প্রচার স্বত্ব থেকে শুরু করে টিকিট বিক্রির সমস্ত আয়ও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

টুর্নামেন্টের লভ্যাংশের ৫০ শতাংশ ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৫১:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সদ্য ঘোষিত ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ‘ডি-থ্রি’র প্লেয়ার্স ড্রাফটে ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজির আইকন তালিকায় মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ কিংবা নাহিদ রানার মতো জাতীয় দলের কোনো পেসারের জায়গা না পাওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বিষয়টি স্পষ্ট করেন। বিসিবি সভাপতি জানান, পুরো টুর্নামেন্টে খেলোয়াড়দের নিরবচ্ছিন্ন সার্ভিস পাওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখেই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো এমন কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিক সিরিজের ব্যস্ততা এবং খেলোয়াড়দের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট বা কাজের চাপ ব্যবস্থাপনার কারণে পেসারদের পুরো টুর্নামেন্টে পাওয়া নিয়ে সবসময়ই এক ধরনের অনিশ্চয়তা থাকে। সে কারণেই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো প্রথম পিক বা পছন্দের তালিকায় নাঈম শেখ কিংবা মোসাদ্দেক হোসেনের মতো টুর্নামেন্টজুড়ে ফ্রি বা উপলব্ধ ক্রিকেটারদের বেশি প্রাধান্য দিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

নাহিদ রানা, তাসকিন বা মুস্তাফিজদের মতো শীর্ষ পেসারদের প্রথম পিকে দেখলে ব্যক্তিগতভাবে নিজেরও ভালো লাগত বলে মন্তব্য করেন বিসিবি সভাপতি। দল গঠনের ক্ষেত্রে ড্রাফট পদ্ধতির চেয়ে অকশন বা নিলাম পদ্ধতি তাঁর নিজের কাছে বেশি পছন্দনীয় বলে তিনি জানান। তাঁর মতে, অকশন বা নিলামের মাধ্যমে দল গঠিত হলে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির সামনে তাদের পছন্দের ক্রিকেটারকে লড়াই করে নেওয়ার একটি সমান সুযোগ থাকে, অথচ ড্রাফটে কোনো ক্রিকেটার একবার কোনো দলের হয়ে পিক বা নির্বাচিত হয়ে গেলে অন্য দলগুলোর তার জন্য লড়াই করার আর কোনো সুযোগ থাকে না। টুর্নামেন্টের প্রচার ও ব্র্যান্ডিংয়ের ওপর এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তামিম বলেন যে শুরুতেই তাদের কাউকে দলে নেওয়া গেলে তা প্রমোশনের জন্য বেশ ভালো হতো, তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর নিজস্ব থিংক ট্যাংক এবং বিসিবির সরবরাহ করা নির্বাচকদের পরামর্শেই দলগুলো এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সব ফ্র্যাঞ্চাইজির এই স্বতন্ত্র সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সম্মান জানিয়ে বিসিবি সভাপতি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, আগামী ২৬ অক্টোবরের চূড়ান্ত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটাররা শেষ পর্যন্ত কোনো না কোনো দলে ঠিকই যুক্ত হবেন। পাশাপাশি সংবাদ সম্মেলনে টুর্নামেন্টের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও লভ্যাংশ বণ্টন সংক্রান্ত বিষয়েও বিস্তারিত তুলে ধরেন তামিম ইকবাল। তিনি জানান, আসন্ন এই টুর্নামেন্ট থেকে যে মোট রাজস্ব বা আয় আসবে, তার ঠিক ৫০ শতাংশই সমানভাবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে এবং এর মধ্যে সম্প্রচার স্বত্ব থেকে শুরু করে টিকিট বিক্রির সমস্ত আয়ও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।