Dhaka ০৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ইয়েমেনে হুথিদের ওপর বাড়ছে সৌদি জোটের গোয়েন্দা যুদ্ধের চাপ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:৫৮:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০ বার দেখা হয়েছে

ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাত এখন কেবল স্থলযুদ্ধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। একটি তীব্র গোয়েন্দা যুদ্ধও এই সংঘাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে হুথিরা ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রয়েছে।

অতীতে রাশিয়া ও ইরানের সহায়তায় হুথিদের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা শক্তিশালী হয়েছিল। তবে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের পাল্টা তৎপরতায় সেই ব্যবস্থা এখন দুর্বল হয়ে পড়ছে।

ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলীয় ফ্রন্টে হুথিদের অগ্রগতির পেছনে শুধু জনবলই কাজ করেনি। রাশিয়ার মহাকাশভিত্তিক ভূ-স্থানিক গোয়েন্দা তথ্য (GEOINT) এবং সিগন্যাল গোয়েন্দা তথ্য (SIGINT) ইরানের নেতৃত্বাধীন কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল। এর সঙ্গে ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের (এনআরএফ) ভেতরের মানব গোয়েন্দা তথ্যও সংযুক্ত করা হয়।

এই সমন্বিত ব্যবস্থার মাধ্যমে রাশিয়ার উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের তথ্য যুক্ত করা হয়। এর ফলে এনআরএফের সদর দপ্তর, সেনাদের অবস্থান, চলাচলের পথ, যোগাযোগব্যবস্থা এবং কমান্ড কাঠামোর দুর্বলতাগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। পশ্চিম উপকূলে এই গোয়েন্দা তথ্যই হুথিদের সামরিক সুবিধা এনে দিয়েছিল।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের উপগ্রহের তথ্য মিলিয়ে দেখা। এতে যুদ্ধক্ষেত্রের একটি স্থির ছবির পরিবর্তে বাহিনীর অবস্থান ও তৎপরতার পরিবর্তনগুলোও অনুসরণ করা সম্ভব হয়। ইয়েমেনে এই গোয়েন্দা তথ্যকে হুথিদের মাঠপর্যায়ের তথ্যের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এতে কোন সদর দপ্তর কার্যকর, কোথায় সেনাদের প্রকৃত অবস্থান প্রতিবেদনের সঙ্গে মিলছে না, কোন ইউনিটের মধ্যে সমন্বয় দুর্বল এবং কোথায় যোগাযোগে ঘাটতি রয়েছে—এসব তথ্য পাওয়া যায়। পশ্চিম উপকূলের প্রতিরক্ষা ভেঙে পড়ার ক্ষেত্রে এসব দুর্বলতা কাজে লাগানো হয়।

এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায়। সৌদি নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট ফোর্সেস কমান্ড (জেএফসি), এনআরএফের বিভিন্ন ইউনিট এবং তাদের নিজস্ব নেতৃত্বের মধ্যে যোগাযোগের দুটি গুরুত্বপূর্ণ পথ ছিল। এই দুটি ব্যবস্থাই দুর্বল হয়ে পড়লে উপরের দিকে ভুল তথ্য পৌঁছানো শুরু হয়, যা তাদের সামরিক কার্যক্রমে মারাত্মক প্রভাব ফেলে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইয়েমেনে হুথিদের ওপর বাড়ছে সৌদি জোটের গোয়েন্দা যুদ্ধের চাপ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:৫৮:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাত এখন কেবল স্থলযুদ্ধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। একটি তীব্র গোয়েন্দা যুদ্ধও এই সংঘাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে হুথিরা ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রয়েছে।

অতীতে রাশিয়া ও ইরানের সহায়তায় হুথিদের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা শক্তিশালী হয়েছিল। তবে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের পাল্টা তৎপরতায় সেই ব্যবস্থা এখন দুর্বল হয়ে পড়ছে।

ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলীয় ফ্রন্টে হুথিদের অগ্রগতির পেছনে শুধু জনবলই কাজ করেনি। রাশিয়ার মহাকাশভিত্তিক ভূ-স্থানিক গোয়েন্দা তথ্য (GEOINT) এবং সিগন্যাল গোয়েন্দা তথ্য (SIGINT) ইরানের নেতৃত্বাধীন কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল। এর সঙ্গে ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের (এনআরএফ) ভেতরের মানব গোয়েন্দা তথ্যও সংযুক্ত করা হয়।

এই সমন্বিত ব্যবস্থার মাধ্যমে রাশিয়ার উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের তথ্য যুক্ত করা হয়। এর ফলে এনআরএফের সদর দপ্তর, সেনাদের অবস্থান, চলাচলের পথ, যোগাযোগব্যবস্থা এবং কমান্ড কাঠামোর দুর্বলতাগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। পশ্চিম উপকূলে এই গোয়েন্দা তথ্যই হুথিদের সামরিক সুবিধা এনে দিয়েছিল।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের উপগ্রহের তথ্য মিলিয়ে দেখা। এতে যুদ্ধক্ষেত্রের একটি স্থির ছবির পরিবর্তে বাহিনীর অবস্থান ও তৎপরতার পরিবর্তনগুলোও অনুসরণ করা সম্ভব হয়। ইয়েমেনে এই গোয়েন্দা তথ্যকে হুথিদের মাঠপর্যায়ের তথ্যের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এতে কোন সদর দপ্তর কার্যকর, কোথায় সেনাদের প্রকৃত অবস্থান প্রতিবেদনের সঙ্গে মিলছে না, কোন ইউনিটের মধ্যে সমন্বয় দুর্বল এবং কোথায় যোগাযোগে ঘাটতি রয়েছে—এসব তথ্য পাওয়া যায়। পশ্চিম উপকূলের প্রতিরক্ষা ভেঙে পড়ার ক্ষেত্রে এসব দুর্বলতা কাজে লাগানো হয়।

এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায়। সৌদি নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট ফোর্সেস কমান্ড (জেএফসি), এনআরএফের বিভিন্ন ইউনিট এবং তাদের নিজস্ব নেতৃত্বের মধ্যে যোগাযোগের দুটি গুরুত্বপূর্ণ পথ ছিল। এই দুটি ব্যবস্থাই দুর্বল হয়ে পড়লে উপরের দিকে ভুল তথ্য পৌঁছানো শুরু হয়, যা তাদের সামরিক কার্যক্রমে মারাত্মক প্রভাব ফেলে।