Dhaka ১০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ও ডিজিটাল স্বাস্থ্য কার্ডের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:২১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম’—এই মূলনীতিকে সামনে রেখে দেশের স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক রূপান্তরে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের অংশ হিসেবে নিউ ইয়র্কে আয়োজিত ‘অঙ্গীকার থেকে কার্যকর পদক্ষেপ: প্রতিরোধযোগ্য মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু বন্ধে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ধাত্রীসেবার (মিডওয়াইফারি) সমন্বয়’ শীর্ষক সভায় তিনি এ কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায় থেকে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বাত্মক অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যেখানে নারী ও শিশুরা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে শিগগিরই দেশে আরও ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৮০ শতাংশই হবেন নারী। এই স্বাস্থ্যকর্মীরা সরাসরি পরিবারগুলোকে স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনবেন এবং প্রাথমিক ঝুঁকিসমূহ সময়মতো শনাক্ত করতে ভূমিকা রাখবেন।

মাতৃ ও নবজাতকের চিকিৎসায় পেশাদার মিডওয়াইফদের ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন, সারাদেশে ইতোমধ্যে ২৫ হাজার পেশাদার মিডওয়াইফ নিয়োগের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা শুরু হয়েছে। তাঁরা যেন বহুবিধ চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গর্ভধারণের পূর্বপর্যায় থেকে শুরু করে প্রসবপরবর্তী সময় পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে পারেন, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বৈঠকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সমন্বিত ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা গড়ে তোলার বিস্তারিত উদ্যোগ তুলে ধরে বলা হয়, দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি করে ডিজিটাল ‘হেলথ কার্ড’ প্রবর্তন করা হবে। এই কার্ডটি নাগরিকের ইলেকট্রনিক স্বাস্থ্য রেকর্ড এবং রেফারেন্স ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকবে। ফলে দেশের দূরদূরান্তের কিংবা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর চিকিৎসার তথ্য ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি নথিবদ্ধ থাকবে, যা উচ্চতর কোনো হাসপাতালে রোগীর স্থানান্তরের সময় নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিতে সহায়তা করবে।

কমিউনিটিভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা মজবুত করা, প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাদারি মিডওয়াইফ নিয়োগ নিশ্চিত করা এবং প্রযুক্তিভিত্তিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামো প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। উক্ত উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ও ডিজিটাল স্বাস্থ্য কার্ডের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:২১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম’—এই মূলনীতিকে সামনে রেখে দেশের স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক রূপান্তরে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের অংশ হিসেবে নিউ ইয়র্কে আয়োজিত ‘অঙ্গীকার থেকে কার্যকর পদক্ষেপ: প্রতিরোধযোগ্য মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু বন্ধে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ধাত্রীসেবার (মিডওয়াইফারি) সমন্বয়’ শীর্ষক সভায় তিনি এ কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায় থেকে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বাত্মক অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যেখানে নারী ও শিশুরা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে শিগগিরই দেশে আরও ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৮০ শতাংশই হবেন নারী। এই স্বাস্থ্যকর্মীরা সরাসরি পরিবারগুলোকে স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনবেন এবং প্রাথমিক ঝুঁকিসমূহ সময়মতো শনাক্ত করতে ভূমিকা রাখবেন।

মাতৃ ও নবজাতকের চিকিৎসায় পেশাদার মিডওয়াইফদের ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন, সারাদেশে ইতোমধ্যে ২৫ হাজার পেশাদার মিডওয়াইফ নিয়োগের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা শুরু হয়েছে। তাঁরা যেন বহুবিধ চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গর্ভধারণের পূর্বপর্যায় থেকে শুরু করে প্রসবপরবর্তী সময় পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে পারেন, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বৈঠকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সমন্বিত ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা গড়ে তোলার বিস্তারিত উদ্যোগ তুলে ধরে বলা হয়, দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি করে ডিজিটাল ‘হেলথ কার্ড’ প্রবর্তন করা হবে। এই কার্ডটি নাগরিকের ইলেকট্রনিক স্বাস্থ্য রেকর্ড এবং রেফারেন্স ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকবে। ফলে দেশের দূরদূরান্তের কিংবা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর চিকিৎসার তথ্য ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি নথিবদ্ধ থাকবে, যা উচ্চতর কোনো হাসপাতালে রোগীর স্থানান্তরের সময় নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিতে সহায়তা করবে।

কমিউনিটিভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা মজবুত করা, প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাদারি মিডওয়াইফ নিয়োগ নিশ্চিত করা এবং প্রযুক্তিভিত্তিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামো প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। উক্ত উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার উপস্থিত ছিলেন।