Dhaka ০৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ভারতে বিজেপিকে জেতানোর নীলনকশা: নির্বাচন কমিশনে টানাপোড়েন ও ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৪২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৪ বার দেখা হয়েছে

ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন এবং বিরোধী দলগুলোর গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষাপটে দেশজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারতের ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

ভারতের বিরোধী দলগুলোর স্পষ্ট অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের প্রত্যক্ষ ইশারায় আসন্ন নির্বাচনগুলোতে বিজেপিকে জেতাতেই এই সুপরিকল্পিত নীলনকশা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিরোধী শিবির এবং বিভিন্ন সমাজকর্মীদের দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংখ্যালঘু, বিশেষ করে মুসলমানদের নাগরিকত্ব বাতিল করে তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়াই সরকারের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।

এই পুরো বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। অভিযোগ উঠেছে, তিনি নির্বাচন কমিশনের বাকি দুই কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশীকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে একতরফাভাবে এবং স্বৈরতান্ত্রিক কায়দায় এই এসআইআর প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে তিন সদস্যের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা। কিন্তু গত দশ মাসে অন্তত ১৪ বার সান্ধু এবং জোশী লিখিতভাবে জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন নির্দেশের বিরোধিতা করলেও তা সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করা হয়েছে। এমনকি একটি নির্দিষ্ট নির্দেশের ক্ষেত্রে একদিনে চারবার পর্যন্ত আপত্তি জানিয়েছেন তারা। দুই কমিশনার স্পষ্ট ভাষায় এই কাজকে ‘অবৈধ’ এবং ‘অননুমোদিত’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে তারা ভারতের ক্যাবিনেট সচিবেরও দ্বারস্থ হন।

ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে কীভাবে কারচুপি চলছে, তার একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। নতুন ভোটার হওয়ার জন্য যে ‘ফর্ম ৬’ পূরণ করতে হয়, তাতে সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করেই বেআইনিভাবে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে নতুন ভোটারদের জানাতে হচ্ছে, পূর্ববর্তী ভোটার তালিকায় তাদের বাবা-মা বা দাদা-দাদির নাম ছিল কি না। কমিশনার সান্ধুর তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে, যা বিরোধী রাজনীতিকদের মতে, ঘুরপথে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি কার্যকর করে মুসলিমদের নিশানা করারই এক প্রচ্ছন্ন রূপ। এর পাশাপাশি ভোটার তথ্যভাণ্ডারের গোটা ব্যবস্থাটি

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ভারতে বিজেপিকে জেতানোর নীলনকশা: নির্বাচন কমিশনে টানাপোড়েন ও ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৪২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন এবং বিরোধী দলগুলোর গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষাপটে দেশজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারতের ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

ভারতের বিরোধী দলগুলোর স্পষ্ট অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের প্রত্যক্ষ ইশারায় আসন্ন নির্বাচনগুলোতে বিজেপিকে জেতাতেই এই সুপরিকল্পিত নীলনকশা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিরোধী শিবির এবং বিভিন্ন সমাজকর্মীদের দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংখ্যালঘু, বিশেষ করে মুসলমানদের নাগরিকত্ব বাতিল করে তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়াই সরকারের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।

এই পুরো বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। অভিযোগ উঠেছে, তিনি নির্বাচন কমিশনের বাকি দুই কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশীকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে একতরফাভাবে এবং স্বৈরতান্ত্রিক কায়দায় এই এসআইআর প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে তিন সদস্যের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা। কিন্তু গত দশ মাসে অন্তত ১৪ বার সান্ধু এবং জোশী লিখিতভাবে জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন নির্দেশের বিরোধিতা করলেও তা সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করা হয়েছে। এমনকি একটি নির্দিষ্ট নির্দেশের ক্ষেত্রে একদিনে চারবার পর্যন্ত আপত্তি জানিয়েছেন তারা। দুই কমিশনার স্পষ্ট ভাষায় এই কাজকে ‘অবৈধ’ এবং ‘অননুমোদিত’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে তারা ভারতের ক্যাবিনেট সচিবেরও দ্বারস্থ হন।

ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে কীভাবে কারচুপি চলছে, তার একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। নতুন ভোটার হওয়ার জন্য যে ‘ফর্ম ৬’ পূরণ করতে হয়, তাতে সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করেই বেআইনিভাবে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে নতুন ভোটারদের জানাতে হচ্ছে, পূর্ববর্তী ভোটার তালিকায় তাদের বাবা-মা বা দাদা-দাদির নাম ছিল কি না। কমিশনার সান্ধুর তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে, যা বিরোধী রাজনীতিকদের মতে, ঘুরপথে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি কার্যকর করে মুসলিমদের নিশানা করারই এক প্রচ্ছন্ন রূপ। এর পাশাপাশি ভোটার তথ্যভাণ্ডারের গোটা ব্যবস্থাটি