Dhaka ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ারবাজার কারসাজি মামলা: সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১৭ নভেম্বর

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

পুঁজিবাজারে কারসাজি, প্রতারণা এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পূর্বনির্ধারিত দিন ছিল। তবে নির্ধারিত দিনে মামলার তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় বিচারক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন এই তারিখ পুনর্নির্ধারণ করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন— সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু), তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির এবং তানভীর নিজাম।

মামলার নথি ও অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৭ জুন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ১২০(বি) ও ১০৯ ধারায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও (BO) অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বেআইনিভাবে ধারাবাহিক ট্রানজেকশন, প্রতারণামূলক অ্যাক্টিভ ট্রেডিং, গেম্বলিং ও স্পেকুলেশনের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে কৃত্রিমভাবে নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়িয়ে ব্যাপক কারসাজি করেন। এই কারসাজির ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা চরম প্রতারণার শিকার হয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হারান। আসামিরা পরিকল্পিত এই পদ্ধতিতে সর্বমোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করেছেন, যা আইনিভাবে ‘অপরাধলব্ধ অর্থ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, মামলার প্রধান অভিযুক্ত আবুল খায়ের (হিরু) তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের প্রত্যক্ষ সহায়তায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ লাখ ১৮৫ টাকার অবৈধ উৎস গোপন করে তা বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর ও রূপান্তর করেন। এ ছাড়া আবুল খায়ের হিরুর নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংকের ১৭টি অ্যাকাউন্টে মোট ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে।

মামলার এজাহারে সাকিব আল হাসানের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়, আসামি মো. আবুল খায়ের (হিরু) পুঁজিবাজারে কারসাজি করা তিনটি প্রতিষ্ঠান— প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ও সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে সাকিব আল হাসান অর্থ বিনিয়োগ করেন। এর মাধ্যমে সাকিব সরাসরি মার্কেট ম্যানুপুলেশনে সহায়তা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা ‘রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন’-এর নামে শেয়ারবাজার থেকে আত্মসাৎ করেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

শেয়ারবাজার কারসাজি মামলা: সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১৭ নভেম্বর

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পুঁজিবাজারে কারসাজি, প্রতারণা এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পূর্বনির্ধারিত দিন ছিল। তবে নির্ধারিত দিনে মামলার তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় বিচারক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন এই তারিখ পুনর্নির্ধারণ করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন— সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু), তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির এবং তানভীর নিজাম।

মামলার নথি ও অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৭ জুন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ১২০(বি) ও ১০৯ ধারায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও (BO) অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বেআইনিভাবে ধারাবাহিক ট্রানজেকশন, প্রতারণামূলক অ্যাক্টিভ ট্রেডিং, গেম্বলিং ও স্পেকুলেশনের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে কৃত্রিমভাবে নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়িয়ে ব্যাপক কারসাজি করেন। এই কারসাজির ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা চরম প্রতারণার শিকার হয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হারান। আসামিরা পরিকল্পিত এই পদ্ধতিতে সর্বমোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করেছেন, যা আইনিভাবে ‘অপরাধলব্ধ অর্থ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, মামলার প্রধান অভিযুক্ত আবুল খায়ের (হিরু) তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের প্রত্যক্ষ সহায়তায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ লাখ ১৮৫ টাকার অবৈধ উৎস গোপন করে তা বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর ও রূপান্তর করেন। এ ছাড়া আবুল খায়ের হিরুর নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংকের ১৭টি অ্যাকাউন্টে মোট ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে।

মামলার এজাহারে সাকিব আল হাসানের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়, আসামি মো. আবুল খায়ের (হিরু) পুঁজিবাজারে কারসাজি করা তিনটি প্রতিষ্ঠান— প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ও সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে সাকিব আল হাসান অর্থ বিনিয়োগ করেন। এর মাধ্যমে সাকিব সরাসরি মার্কেট ম্যানুপুলেশনে সহায়তা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা ‘রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন’-এর নামে শেয়ারবাজার থেকে আত্মসাৎ করেন।