Dhaka ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘে ট্রাম্প: যুক্তরাষ্ট্র অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৪০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। দেশের সামরিক সক্ষমতা, অর্থনীতি, সীমান্ত নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কথা তুলে ধরে তিনি দাবি করেছেন, তার নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে শক্তি ও গতি ফিরে পেয়েছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমেরিকা ফিরে এসেছে এবং আমাদের দেশ আজ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী।’

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন।

ভাষণে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক খাতে ব্যাপক বিনিয়োগের কথাও উল্লেখ করেন। ট্রাম্পের দাবি, গত ১২ মাসে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে এর আগে যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি মেয়াদে সামরিক খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। তিনি বলেন, নতুন করে উদ্দীপ্ত ও শক্তিশালী যুক্তরাষ্ট্রের সমৃদ্ধি, শক্তি, মনোবল ও অগ্রগতির সুফল পুরো বিশ্বই পাচ্ছে।

ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, একসময় ইরানকে বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করার মতো শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে তার প্রশাসন ইরানের ‘সন্ত্রাস ছড়িয়ে দেওয়ার’ সক্ষমতা ঠেকাতে পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ট্রাম্পের ভাষ্য, ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আড়ালে থেকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছিল। যুক্তরাষ্ট্র সেই প্রচেষ্টা থামিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, ইরান সফল হলে দেশটির ‘দুষ্ট শাসনব্যবস্থা’ দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাস ও মৃত্যুর বিস্তার ঘটানোর সুযোগ পেত।

নিজের প্রশাসনের সামরিক পদক্ষেপের প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজন হলে সামরিক শক্তি ব্যবহার করা হবে। তিনি বলেন, অন্যরা যখন শুধু কথা বলেছে, তখন তিনি পদক্ষেপ নিয়েছেন; অন্যরা যখন শান্তির কথা বলেছে, তখন তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন।

ট্রাম্প গত বছর দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরান ও ভেনেজুয়েলার সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে মার্কিন হামলাও বাড়ানো হয়েছে।

ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়েও নিজের প্রশাসনের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, তার সরকারের সময়ে অনিবন্ধিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অভিযান চালানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘে ট্রাম্প: যুক্তরাষ্ট্র অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৪০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। দেশের সামরিক সক্ষমতা, অর্থনীতি, সীমান্ত নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কথা তুলে ধরে তিনি দাবি করেছেন, তার নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে শক্তি ও গতি ফিরে পেয়েছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমেরিকা ফিরে এসেছে এবং আমাদের দেশ আজ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী।’

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন।

ভাষণে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক খাতে ব্যাপক বিনিয়োগের কথাও উল্লেখ করেন। ট্রাম্পের দাবি, গত ১২ মাসে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে এর আগে যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি মেয়াদে সামরিক খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। তিনি বলেন, নতুন করে উদ্দীপ্ত ও শক্তিশালী যুক্তরাষ্ট্রের সমৃদ্ধি, শক্তি, মনোবল ও অগ্রগতির সুফল পুরো বিশ্বই পাচ্ছে।

ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, একসময় ইরানকে বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করার মতো শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে তার প্রশাসন ইরানের ‘সন্ত্রাস ছড়িয়ে দেওয়ার’ সক্ষমতা ঠেকাতে পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ট্রাম্পের ভাষ্য, ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আড়ালে থেকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছিল। যুক্তরাষ্ট্র সেই প্রচেষ্টা থামিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, ইরান সফল হলে দেশটির ‘দুষ্ট শাসনব্যবস্থা’ দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাস ও মৃত্যুর বিস্তার ঘটানোর সুযোগ পেত।

নিজের প্রশাসনের সামরিক পদক্ষেপের প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজন হলে সামরিক শক্তি ব্যবহার করা হবে। তিনি বলেন, অন্যরা যখন শুধু কথা বলেছে, তখন তিনি পদক্ষেপ নিয়েছেন; অন্যরা যখন শান্তির কথা বলেছে, তখন তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন।

ট্রাম্প গত বছর দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরান ও ভেনেজুয়েলার সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে মার্কিন হামলাও বাড়ানো হয়েছে।

ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়েও নিজের প্রশাসনের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, তার সরকারের সময়ে অনিবন্ধিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অভিযান চালানো হয়েছে।