যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ২৪ ঘণ্টা ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রাম্প টিভি’ চালু করেছে। হোয়াইট হাউসের নিজস্ব এই উদ্যোগে ‘ট্রাম্প টিভি: দ্য এসেনশিয়ালস স্টেশন’-এ ট্রাম্প প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য, অনুষ্ঠান, ভিডিও এবং বিভিন্ন কার্যক্রমের ফুটেজ সরাসরি ও ধারাবাহিকভাবে প্রচার করা হবে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রশাসনের ‘বড় মুহূর্ত’, গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য ও নির্বাচিত ভিডিও ২৪ ঘণ্টা এক জায়গা থেকে দেখার সুযোগ থাকবে। প্ল্যাটফর্মটি বাস্তব সময়ে হালনাগাদ করার কথাও জানানো হয়েছে।
‘ট্রাম্প টিভি’ চালুর ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন ট্রাম্প প্রশাসন এবং কয়েকটি বড় মার্কিন সংবাদমাধ্যমের মধ্যে তীব্র বিরোধ চলছিল। গত সপ্তাহে সিএনএন, এমএস নাও এবং পলিটিকোর সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার বাতিল করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই তিন সংবাদমাধ্যম ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ফেডারেল আদালতে মামলা দায়ের করে। তারা অভিযোগ করে যে, তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সুরক্ষা লঙ্ঘন করেছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে তার অবস্থান সমর্থন করেছেন। তিনি এসব সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনকে ‘ফেক নিউজ’ হিসেবে উল্লেখ করে তাদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বলা হয়, হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার একটি সুবিধা, অধিকার নয়।
এরই মধ্যে মার্কিন টেলিভিশন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রচলিত প্রেস পুলেও সংকট তৈরি হয়। সিএনএনকে প্রেস পুলের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর অন্য নেটওয়ার্কগুলোও প্রেসিডেন্টের কর্মসূচির পুল কভারেজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে প্রেসিডেন্টের নতুন হোয়াইট হাউস হেলিপ্যাড উদ্বোধনের অনুষ্ঠানেও প্রচলিত টেলিভিশন প্রেস পুলের সরাসরি ভিডিও কভারেজ ছিল না। অনুষ্ঠানটি হোয়াইট হাউসের নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ওয়েবসাইটে সম্প্রচার করা হয়। ‘ট্রাম্প টিভি’র প্রথম সম্প্রচারে ট্রাম্পের পুরোনো বক্তব্য ও প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ফুটেজ দেখানো হয়।























