রাজধানী ঢাকা মহানগরের যানজট নিরসন ও বিশৃঙ্খলা রোধে পুরো শহরকে আটটি পৃথক অঞ্চলে ভাগ করে ভিন্ন ভিন্ন রঙের ব্যাটারিচালিত তিন চাকার স্বল্পগতির রিকশা (ই-রিকশা) পরিচালনার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। নতুন এই ব্যবস্থার আওতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অধীন চারটি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অধীন চারটি মোট আটটি জোন নির্ধারণ করা হবে। প্রতিটি জোনের ই-রিকশার জন্য সুনির্দিষ্ট আলাদা রং বরাদ্দ থাকবে, যার ফলে এক নির্ধারিত জোনের ই-রিকশা কোনোভাবেই অন্য জোনে চলাচল করতে পারবে না। রোববার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই পরিকল্পনার কথা নিশ্চিত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকা শহরের জোনভিত্তিক যানজটের মাত্রা বিবেচনা করে ঠিক কত সংখ্যক ই-রিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হলে সড়কে শৃঙ্খলা বজায় থাকবে—তা ট্রাফিক পুলিশ বিভাগ এবং উভয় সিটি করপোরেশন যৌথভাবে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত করবে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে ই-রিকশার সার্বিক সংখ্যার ওপর কোনো সুনির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা বা সিলিং আরোপ করা হচ্ছে না।
প্রস্তাবিত নতুন কাঠামো অনুযায়ী, প্রতিটি ই-রিকশায় একটি আধুনিক কিউআর কোড সম্বলিত প্রযুক্তি যুক্ত থাকবে, যার ভেতরে রিকশার নিবন্ধন নম্বর, মালিকের পূর্ণাঙ্গ পরিচয়, নিবন্ধিত সিটি করপোরেশনের বিবরণ এবং রিকশাটির অনুমোদিত নির্দিষ্ট অঞ্চলের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। এর পাশাপাশি ই-রিকশা চালকদের তথ্য সংগৃহীত রাখা হলেও সাময়িকভাবে চালকদের প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদানের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট রিকশা মালিকপক্ষের ওপর ন্যস্ত থাকবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।






















