Dhaka ০৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সার্বিয়ায় রাজনৈতিক পালাবদল: নির্বাচনে বড় জয় পেল শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:১২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

সার্বিয়ায় এক মর্মান্তিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের রাস্তা অবরোধের আন্দোলন শেষ পর্যন্ত দুর্নীতি ও সরকারি অবহেলার বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী জাতীয় গণআন্দোলনে রূপ নিয়েছে। দুই বছরেরও কম সময়ের ব্যবধানে সার্বিয়ার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক শক্তি আলেকজান্ডার ভুসিসের ১৪ বছরের একচ্ছত্র আধিপত্য ভেঙে ফেলতে সফল হয়েছে ছাত্রসমাজ। দেশটির ক্ষমতাসীন সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টির (এসএনএস) জনসমর্থন নাটকীয়ভাবে হ্রাস পাওয়ার মধ্য দিয়ে এই নির্বাচন সার্বিয়ার ভবিষ্যৎ নির্ধারণী গণভোটে পরিণত হয়েছিল।

সোমবার প্রকাশিত প্রাথমিক ভোট গণনার ফলাফল অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা ৫২.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে নিরঙ্কুশ জয় অর্জন করেছে; পক্ষান্তরে ভুসিসের নেতৃত্বাধীন এসএনএস দল পেয়েছে মাত্র ৩৯.২ শতাংশ ভোট। নির্বাচনের এই ফলাফল সামনে আসার পর রাজধানী বেলগ্রেড থেকে শুরু করে নোভি সাদ ও নিশ শহরের কেন্দ্রস্থলে উল্লাসে ফেটে পড়েন আন্দোলনকারী ও সাধারণ সমর্থকরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ঘোষণা করেন যে, সার্বিয়া এখন সম্পূর্ণ স্বাধীন।

এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় প্রতীকী ঘটনা ছিল তথাকথিত ‘চাচিল্যান্ড’-এর পতন। সার্বিয়ান পার্লামেন্টের সামনে মধ্য বেলগ্রেডের পাইওনিয়ার্স পার্কে ১৮ মাস আগে ভুসিসপন্থী একটি তাঁবু শিবির স্থাপন করা হয়েছিল, যা এই আন্দোলনের মুখে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ‘ভুসিস ক্ষমতা ছেড়ে দিচ্ছেন’—এমন স্লোগানের মধ্য দিয়ে আন্দোলনকারীরা সমস্ত প্রতিবন্ধকতা ও ধাতব ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন। কোনো প্রথাগত রাজনৈতিক নেতৃত্ব ছাড়াই গড়ে ওঠা ‘দ্য স্টুডেন্ট লিস্ট’ আন্দোলনটি সারা দেশের সরকারবিরোধী ভোটারদের ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছিল। সংসদের ২৫০টি আসনেই তারা প্রার্থী দিয়ে এক নতুন রাজনৈতিক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে এবং সার্বিয়ার রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক পালাবদল ঘটিয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সার্বিয়ায় রাজনৈতিক পালাবদল: নির্বাচনে বড় জয় পেল শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:১২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

সার্বিয়ায় এক মর্মান্তিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের রাস্তা অবরোধের আন্দোলন শেষ পর্যন্ত দুর্নীতি ও সরকারি অবহেলার বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী জাতীয় গণআন্দোলনে রূপ নিয়েছে। দুই বছরেরও কম সময়ের ব্যবধানে সার্বিয়ার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক শক্তি আলেকজান্ডার ভুসিসের ১৪ বছরের একচ্ছত্র আধিপত্য ভেঙে ফেলতে সফল হয়েছে ছাত্রসমাজ। দেশটির ক্ষমতাসীন সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টির (এসএনএস) জনসমর্থন নাটকীয়ভাবে হ্রাস পাওয়ার মধ্য দিয়ে এই নির্বাচন সার্বিয়ার ভবিষ্যৎ নির্ধারণী গণভোটে পরিণত হয়েছিল।

সোমবার প্রকাশিত প্রাথমিক ভোট গণনার ফলাফল অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা ৫২.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে নিরঙ্কুশ জয় অর্জন করেছে; পক্ষান্তরে ভুসিসের নেতৃত্বাধীন এসএনএস দল পেয়েছে মাত্র ৩৯.২ শতাংশ ভোট। নির্বাচনের এই ফলাফল সামনে আসার পর রাজধানী বেলগ্রেড থেকে শুরু করে নোভি সাদ ও নিশ শহরের কেন্দ্রস্থলে উল্লাসে ফেটে পড়েন আন্দোলনকারী ও সাধারণ সমর্থকরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ঘোষণা করেন যে, সার্বিয়া এখন সম্পূর্ণ স্বাধীন।

এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় প্রতীকী ঘটনা ছিল তথাকথিত ‘চাচিল্যান্ড’-এর পতন। সার্বিয়ান পার্লামেন্টের সামনে মধ্য বেলগ্রেডের পাইওনিয়ার্স পার্কে ১৮ মাস আগে ভুসিসপন্থী একটি তাঁবু শিবির স্থাপন করা হয়েছিল, যা এই আন্দোলনের মুখে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ‘ভুসিস ক্ষমতা ছেড়ে দিচ্ছেন’—এমন স্লোগানের মধ্য দিয়ে আন্দোলনকারীরা সমস্ত প্রতিবন্ধকতা ও ধাতব ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন। কোনো প্রথাগত রাজনৈতিক নেতৃত্ব ছাড়াই গড়ে ওঠা ‘দ্য স্টুডেন্ট লিস্ট’ আন্দোলনটি সারা দেশের সরকারবিরোধী ভোটারদের ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছিল। সংসদের ২৫০টি আসনেই তারা প্রার্থী দিয়ে এক নতুন রাজনৈতিক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে এবং সার্বিয়ার রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক পালাবদল ঘটিয়েছে।