Dhaka ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ভারতের জেল থেকে ১৭ বন্দির চাঞ্চল্যকর পলায়ন, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩৩:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

ভারতের তামিলনাড়ুর থেনি জেলার থেক্কামপট্টি সংশোধনাগার থেকে একসঙ্গে ১৭ বন্দি পালিয়ে গেছে। জেলের ভেতর অসুস্থতার খবর দিয়ে জেলকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে এই চাঞ্চল্যকর পলায়নের ঘটনা ঘটে সোমবার রাতে। এই ঘটনায় জেলখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।

মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পলাতকদের মধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি ১৩ জনের খোঁজে একাধিক দল তল্লাশি চালাচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৬ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে আদিনপট্টির (অ্যান্ডিপট্টি) কাছে ওই সংশোধনাগারে ঘটনাটি ঘটে।

একই কক্ষে বন্দি ছিলেন ১৭ জন বিচারাধীন আসামি। তাদের মধ্যে একজনের মৃগীরোগের খিঁচুনি উঠেছে—এমন চিৎকার শুরু হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনজন জেলকর্মী কক্ষের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তাদের ওপর আকস্মিক হামলা চালিয়ে বন্দিরা মূল গেট দিয়ে পালিয়ে যান।

এই ঘটনায় জেলকর্মী থাঙ্গাপান্ডির মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও দুজন কর্মী সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে থেনির পুলিশ সুপার প্রভীন গৌতমসহ পদস্থ কর্মকর্তারা সংশোধনাগার পরিদর্শন করেন। দক্ষিণাঞ্চলের পুলিশ বিভাগের আইজি বিজয়েন্দ্র বিদারি পলাতকদের ধরতে ১৭টি বিশেষ দল গঠনের নির্দেশ দেন। এর পরই শতাধিক পুলিশকর্মী অভিযানে নামেন এবং আশপাশের জঙ্গলে চিরুনি অভিযান শুরু হয়।

মঙ্গলবার সকালে জেলের কাছের জঙ্গল থেকে প্রভীন, শিলাম্বরাসন, রাজকুমার ও রাজা সিকান্দর নামের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকিদের ধরতে থেনি, মাদুরাই ও দিন্দিগুল এলাকায় তল্লাশি চলছে। কেরালার ইদুক্কি সীমান্তেও বাড়ানো হয়েছে কড়া নজরদারি। এই অভিযানে স্নিফার ডগ ও ড্রোন ব্যবহার করছে পুলিশ।

এর আগে ১৯৯৫ সালে ভেলোর দুর্গের বিশেষ বন্দিশিবির থেকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে পালিয়েছিলেন ৪৩ জন সন্দেহভাজন এলটিটিই সদস্য। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার পর তামিলনাড়ুতে এত বন্দির একসঙ্গে পালানোর ঘটনাকে অন্যতম বড় নিরাপত্তা ত্রুটি বলে মনে করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ভারতের জেল থেকে ১৭ বন্দির চাঞ্চল্যকর পলায়ন, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩৩:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের তামিলনাড়ুর থেনি জেলার থেক্কামপট্টি সংশোধনাগার থেকে একসঙ্গে ১৭ বন্দি পালিয়ে গেছে। জেলের ভেতর অসুস্থতার খবর দিয়ে জেলকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে এই চাঞ্চল্যকর পলায়নের ঘটনা ঘটে সোমবার রাতে। এই ঘটনায় জেলখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।

মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পলাতকদের মধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি ১৩ জনের খোঁজে একাধিক দল তল্লাশি চালাচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৬ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে আদিনপট্টির (অ্যান্ডিপট্টি) কাছে ওই সংশোধনাগারে ঘটনাটি ঘটে।

একই কক্ষে বন্দি ছিলেন ১৭ জন বিচারাধীন আসামি। তাদের মধ্যে একজনের মৃগীরোগের খিঁচুনি উঠেছে—এমন চিৎকার শুরু হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনজন জেলকর্মী কক্ষের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তাদের ওপর আকস্মিক হামলা চালিয়ে বন্দিরা মূল গেট দিয়ে পালিয়ে যান।

এই ঘটনায় জেলকর্মী থাঙ্গাপান্ডির মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও দুজন কর্মী সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে থেনির পুলিশ সুপার প্রভীন গৌতমসহ পদস্থ কর্মকর্তারা সংশোধনাগার পরিদর্শন করেন। দক্ষিণাঞ্চলের পুলিশ বিভাগের আইজি বিজয়েন্দ্র বিদারি পলাতকদের ধরতে ১৭টি বিশেষ দল গঠনের নির্দেশ দেন। এর পরই শতাধিক পুলিশকর্মী অভিযানে নামেন এবং আশপাশের জঙ্গলে চিরুনি অভিযান শুরু হয়।

মঙ্গলবার সকালে জেলের কাছের জঙ্গল থেকে প্রভীন, শিলাম্বরাসন, রাজকুমার ও রাজা সিকান্দর নামের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকিদের ধরতে থেনি, মাদুরাই ও দিন্দিগুল এলাকায় তল্লাশি চলছে। কেরালার ইদুক্কি সীমান্তেও বাড়ানো হয়েছে কড়া নজরদারি। এই অভিযানে স্নিফার ডগ ও ড্রোন ব্যবহার করছে পুলিশ।

এর আগে ১৯৯৫ সালে ভেলোর দুর্গের বিশেষ বন্দিশিবির থেকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে পালিয়েছিলেন ৪৩ জন সন্দেহভাজন এলটিটিই সদস্য। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার পর তামিলনাড়ুতে এত বন্দির একসঙ্গে পালানোর ঘটনাকে অন্যতম বড় নিরাপত্তা ত্রুটি বলে মনে করা হচ্ছে।