ভারতে ভোটার তালিকা কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা এবং ক্ষেত্রবিশেষে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর ড. সীমা খান্নার ভূমিকা আলোচনায় উঠে আসে। বর্তমানে তিনি দেশটির নির্বাচন কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের মহাপরিচালক হিসেবে ‘ইসিআইনেট’ তদারকি করছেন। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উন্মোচিত হয়েছে কীভাবে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের এড়িয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে ভোটার তালিকা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।
এর আগে কোভিড মহামারির সময় ‘আরোগ্য সেতু’ অ্যাপ চালুর বিষয়টিতেও তিনি যুক্ত ছিলেন। কোনো সুনির্দিষ্ট আইনি সুরক্ষা ছাড়াই নির্বাহী আদেশে চালু হওয়া ঐ অ্যাপ ব্যবহারকারীদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক সম্পর্কের তথ্য সংগ্রহ করত। সে সময় সমালোচকরা সতর্ক করেছিলেন যে, পর্যাপ্ত গোপনীয়তা রক্ষা না করে এমন তথ্য সংগ্রহ করা জনস্বাস্থ্য সংকটের অজুহাতে রাষ্ট্রের স্থায়ী নজরদারি চালুরই একটি প্রক্রিয়া।
যুক্তরাজ্যের বিচার বিভাগীয় পর্যবেক্ষণে আগেই বলা হয়েছিল, একাধিক দপ্তর থেকে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য একক নথিতে পুঞ্জীভূত করা হলে ব্যক্তি স্বাধীনতা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে। ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে আধার কার্ড, ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা, আয়ুষ্মান ভারত এবং অ্যালগরিদমনির্ভর ডেটাবেসের মাধ্যমে সর্বগ্রাসী নজরদারি কাঠামোর ভিত্তি বিস্তৃত হয়েছে, যা সার্বিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলছে।























