Dhaka ০৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:২২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

ধর্ম, বর্ণ ও মতনির্বিশেষে দেশের সকল অঞ্চলের ও ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ, সুন্দর ও আধুনিক প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে রংপুর সফরের প্রারম্ভে পাগলাপীর এলাকায় আয়োজিত এক বিশাল জনাকীর্ণ পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পথসভায় বক্তব্য প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের সকল ধর্মের মানুষ একাত্ম হয়ে লড়াই করে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন। তাই স্বাধীন উত্তর এই মাতৃভূমিকে নতুন করে গড়ার কাজেও সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে একযোগে ভূমিকা রাখতে হবে। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ দেশের সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নাগরিকেরা পারস্পরিক সুদৃঢ় সম্প্রীতি ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশকে ক্রমান্বয়ে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন—এমনটাই সবার মূল প্রত্যাশা হওয়া উচিত।

দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, গত ১২ তারিখের ঐতিহাসিক নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর দেশের সাধারণ মানুষ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার পবিত্র আমানত ও দায়িত্ব অর্পণ করেছে। সরকার পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই বর্তমান প্রশাসন দেশের খেটে খাওয়া ও নিম্নআয়ের মেহনতি মানুষের পাশে দাঁড়াতে আন্তরিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সমাজের পিছিয়ে পড়া প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের সার্বিক জীবনমান উন্নয়ন ও মৌলিক চাহিদার বিষয়সমূহ গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়ে সরকার নানামুখী যুগান্তকারী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমুখী পদক্ষেপের বিবরণ দিয়ে তিনি জানান, দেশের প্রান্তিক কৃষকদের সুবিধার্থে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সম্পূর্ণ মওকুফ ঘোষণা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা সুসংহত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের সকল মসজিদের সম্মানিত ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের গুরুজনদের জন্য বিশেষ সরকারি ভাতার সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি দৃঢ়তার সাথে পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সরকারের মূল লক্ষ্যই হলো সমাজের প্রতিটি স্তরের খেটে খাওয়া মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। দেশের সর্বস্তরের জনগণের কল্যাণ সাধন ও জীবনযাত্রার মান সহজ করতে এই ধরনের জনহিতকর কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে।

চলমান শারদীয় দুর্গাপূজার শুভ আবহের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শারদোৎসব এ দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসবের দিন। এই আনন্দের মহতী উৎসবকে সামনে রেখে দেশের সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে পারস্পরিক সাম্য, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুসংহত রাখার ওপর জোর দেন তিনি।

তিনি স্পষ্টভাবে মনে করিয়ে দেন যে, দেশের সকল ধর্মের মানুষ সমঅধিকারসম্পন্ন এবং তারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের সমান নাগরিক। এই ভূখণ্ড সবার। তাই এ দেশের সার্বিক উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের পবিত্র দায়িত্বও প্রতিটি নাগরিকের। পারস্পরিক নিবিড় সহযোগিতা এবং সম্মিলিত মেধার বিনিময়ে কাঙ্ক্ষিত সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য দেশের সর্বস্তরের মানবসম্পদকে এক প্ল্যাটফর্মে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:২২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

ধর্ম, বর্ণ ও মতনির্বিশেষে দেশের সকল অঞ্চলের ও ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ, সুন্দর ও আধুনিক প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে রংপুর সফরের প্রারম্ভে পাগলাপীর এলাকায় আয়োজিত এক বিশাল জনাকীর্ণ পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পথসভায় বক্তব্য প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের সকল ধর্মের মানুষ একাত্ম হয়ে লড়াই করে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন। তাই স্বাধীন উত্তর এই মাতৃভূমিকে নতুন করে গড়ার কাজেও সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে একযোগে ভূমিকা রাখতে হবে। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ দেশের সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নাগরিকেরা পারস্পরিক সুদৃঢ় সম্প্রীতি ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশকে ক্রমান্বয়ে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন—এমনটাই সবার মূল প্রত্যাশা হওয়া উচিত।

দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, গত ১২ তারিখের ঐতিহাসিক নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর দেশের সাধারণ মানুষ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার পবিত্র আমানত ও দায়িত্ব অর্পণ করেছে। সরকার পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই বর্তমান প্রশাসন দেশের খেটে খাওয়া ও নিম্নআয়ের মেহনতি মানুষের পাশে দাঁড়াতে আন্তরিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সমাজের পিছিয়ে পড়া প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের সার্বিক জীবনমান উন্নয়ন ও মৌলিক চাহিদার বিষয়সমূহ গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়ে সরকার নানামুখী যুগান্তকারী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমুখী পদক্ষেপের বিবরণ দিয়ে তিনি জানান, দেশের প্রান্তিক কৃষকদের সুবিধার্থে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সম্পূর্ণ মওকুফ ঘোষণা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা সুসংহত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের সকল মসজিদের সম্মানিত ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের গুরুজনদের জন্য বিশেষ সরকারি ভাতার সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি দৃঢ়তার সাথে পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সরকারের মূল লক্ষ্যই হলো সমাজের প্রতিটি স্তরের খেটে খাওয়া মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। দেশের সর্বস্তরের জনগণের কল্যাণ সাধন ও জীবনযাত্রার মান সহজ করতে এই ধরনের জনহিতকর কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে।

চলমান শারদীয় দুর্গাপূজার শুভ আবহের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শারদোৎসব এ দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসবের দিন। এই আনন্দের মহতী উৎসবকে সামনে রেখে দেশের সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে পারস্পরিক সাম্য, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুসংহত রাখার ওপর জোর দেন তিনি।

তিনি স্পষ্টভাবে মনে করিয়ে দেন যে, দেশের সকল ধর্মের মানুষ সমঅধিকারসম্পন্ন এবং তারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের সমান নাগরিক। এই ভূখণ্ড সবার। তাই এ দেশের সার্বিক উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের পবিত্র দায়িত্বও প্রতিটি নাগরিকের। পারস্পরিক নিবিড় সহযোগিতা এবং সম্মিলিত মেধার বিনিময়ে কাঙ্ক্ষিত সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য দেশের সর্বস্তরের মানবসম্পদকে এক প্ল্যাটফর্মে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।