Dhaka ০২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

কীটনাশকের ঝাঁজে নিরব পিউ কাহা: রাখির প্রকৃতি রক্ষার শিক্ষা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৪৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

ভোরে মায়ের ডাকে ঘুম ভাঙলেও মন ভালো ছিল না প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশু রাখির। প্রতিদিন যে পাখিটি মিষ্টি সুরে ডেকে তার ঘুম ভাঙাত, সেই ‘পিউ কাহা’ আজ অনুপস্থিত। পাখির খোঁজে ছাদের বাগানে গিয়ে রজনীগন্ধা, গোলাপ আর প্রজাপতির ওড়াউড়ি দেখলেও বন্ধুর জন্য রাখির মন ব্যাকুল হয়ে ওঠে।

এমন সময় হঠাৎ ছাদের কার্নিশে এসে বসে পিউ কাহা। দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে বেদনার সুরে পাখিটি জানায়, তাদের বাড়ির সামনের আমগাছে কড়া কীটনাশক ছিটানো হয়েছে। সেই বিষাক্ত ও ঝাঁজালো গন্ধ সহ্য করতে না পেরে উত্তরের বাঁশঝাড়ে রাত কাটাতে হয়েছে তাকে। গন্ধের কারণেই সে গান গাইতে পারেনি।

পাখির মুখে এ কথা শুনে ছুটে নিচে নামে রাখি। বাবার কাছে গিয়ে সে পরিবেশ ও পশুপাখির গুরুত্ব তুলে ধরে এবং গাছে আর কখনো কীটনাশক না দেওয়ার অনুরোধ জানায়। মেয়ের কথায় বাবা ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার প্রতিশ্রুতি দেন। বিষয়টি দেখে আশ্বস্ত হয়ে পিউ কাহা আবারও মিষ্টি সুরে গান গেয়ে ওঠে।

জনপ্রিয়

ইউরোপের ৭ দেশের সুপারমার্কেটে নজিরবিহীন সাইবার হামলা

কীটনাশকের ঝাঁজে নিরব পিউ কাহা: রাখির প্রকৃতি রক্ষার শিক্ষা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৪৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

ভোরে মায়ের ডাকে ঘুম ভাঙলেও মন ভালো ছিল না প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশু রাখির। প্রতিদিন যে পাখিটি মিষ্টি সুরে ডেকে তার ঘুম ভাঙাত, সেই ‘পিউ কাহা’ আজ অনুপস্থিত। পাখির খোঁজে ছাদের বাগানে গিয়ে রজনীগন্ধা, গোলাপ আর প্রজাপতির ওড়াউড়ি দেখলেও বন্ধুর জন্য রাখির মন ব্যাকুল হয়ে ওঠে।

এমন সময় হঠাৎ ছাদের কার্নিশে এসে বসে পিউ কাহা। দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে বেদনার সুরে পাখিটি জানায়, তাদের বাড়ির সামনের আমগাছে কড়া কীটনাশক ছিটানো হয়েছে। সেই বিষাক্ত ও ঝাঁজালো গন্ধ সহ্য করতে না পেরে উত্তরের বাঁশঝাড়ে রাত কাটাতে হয়েছে তাকে। গন্ধের কারণেই সে গান গাইতে পারেনি।

পাখির মুখে এ কথা শুনে ছুটে নিচে নামে রাখি। বাবার কাছে গিয়ে সে পরিবেশ ও পশুপাখির গুরুত্ব তুলে ধরে এবং গাছে আর কখনো কীটনাশক না দেওয়ার অনুরোধ জানায়। মেয়ের কথায় বাবা ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার প্রতিশ্রুতি দেন। বিষয়টি দেখে আশ্বস্ত হয়ে পিউ কাহা আবারও মিষ্টি সুরে গান গেয়ে ওঠে।