ভোরে মায়ের ডাকে ঘুম ভাঙলেও মন ভালো ছিল না প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশু রাখির। প্রতিদিন যে পাখিটি মিষ্টি সুরে ডেকে তার ঘুম ভাঙাত, সেই ‘পিউ কাহা’ আজ অনুপস্থিত। পাখির খোঁজে ছাদের বাগানে গিয়ে রজনীগন্ধা, গোলাপ আর প্রজাপতির ওড়াউড়ি দেখলেও বন্ধুর জন্য রাখির মন ব্যাকুল হয়ে ওঠে।
এমন সময় হঠাৎ ছাদের কার্নিশে এসে বসে পিউ কাহা। দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে বেদনার সুরে পাখিটি জানায়, তাদের বাড়ির সামনের আমগাছে কড়া কীটনাশক ছিটানো হয়েছে। সেই বিষাক্ত ও ঝাঁজালো গন্ধ সহ্য করতে না পেরে উত্তরের বাঁশঝাড়ে রাত কাটাতে হয়েছে তাকে। গন্ধের কারণেই সে গান গাইতে পারেনি।
পাখির মুখে এ কথা শুনে ছুটে নিচে নামে রাখি। বাবার কাছে গিয়ে সে পরিবেশ ও পশুপাখির গুরুত্ব তুলে ধরে এবং গাছে আর কখনো কীটনাশক না দেওয়ার অনুরোধ জানায়। মেয়ের কথায় বাবা ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার প্রতিশ্রুতি দেন। বিষয়টি দেখে আশ্বস্ত হয়ে পিউ কাহা আবারও মিষ্টি সুরে গান গেয়ে ওঠে।


























