Dhaka ১১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর দেশজুড়ে এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৪০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারা দেশে দুই দিনব্যাপী তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখার কঠোর ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সেলিম খান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ধর্মঘটের ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে এলপিজি ব্যবসায়ীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে মারাত্মক অভিযোগ উত্থাপন করে তিনি জানান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অসাধু উপায়ে মাঠপর্যায়ে বিক্রেতাদের ওপর অযৌক্তিক ও অন্যায্য জরিমানা আরোপ করে চলেছে। পাশাপাশি সকল প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও বৈধ কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও রাস্তায় এলপিজি পরিবহনের কাজে নিয়োজিত যানবাহনগুলোকে ট্রাফিক বিভাগ থেকে অন্যায়ভাবে ট্রাফিক মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এসব প্রশাসনিক হয়রানি ও অন্যায্য জরিমানার প্রতিবাদেই আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার (১৫ ও ১৬ অক্টোবর) সারা দেশে সকল প্রকার গ্যাসের দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশের খুচরা ও পাইকারি এলপিজির বাজারে তীব্র অস্থিরতা ও সরবরাহ সংকট বিরাজ করছে। সরকার ও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ গ্রাহকেরা বাজারে এলপিজি পাচ্ছিলেন না। সম্প্রতি ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। তবে সেই নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে বাজারে এলপিজি বিক্রি হওয়ার অভিযোগ উঠলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত ঝটিকা অভিযান চালিয়ে জরিমানার উদ্যোগ নেয়, যার পরই ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে এই বন্ধের ঘোষণা এলো।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর দেশজুড়ে এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৪০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারা দেশে দুই দিনব্যাপী তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখার কঠোর ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সেলিম খান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ধর্মঘটের ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে এলপিজি ব্যবসায়ীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে মারাত্মক অভিযোগ উত্থাপন করে তিনি জানান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অসাধু উপায়ে মাঠপর্যায়ে বিক্রেতাদের ওপর অযৌক্তিক ও অন্যায্য জরিমানা আরোপ করে চলেছে। পাশাপাশি সকল প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও বৈধ কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও রাস্তায় এলপিজি পরিবহনের কাজে নিয়োজিত যানবাহনগুলোকে ট্রাফিক বিভাগ থেকে অন্যায়ভাবে ট্রাফিক মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এসব প্রশাসনিক হয়রানি ও অন্যায্য জরিমানার প্রতিবাদেই আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার (১৫ ও ১৬ অক্টোবর) সারা দেশে সকল প্রকার গ্যাসের দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশের খুচরা ও পাইকারি এলপিজির বাজারে তীব্র অস্থিরতা ও সরবরাহ সংকট বিরাজ করছে। সরকার ও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ গ্রাহকেরা বাজারে এলপিজি পাচ্ছিলেন না। সম্প্রতি ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। তবে সেই নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে বাজারে এলপিজি বিক্রি হওয়ার অভিযোগ উঠলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত ঝটিকা অভিযান চালিয়ে জরিমানার উদ্যোগ নেয়, যার পরই ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে এই বন্ধের ঘোষণা এলো।