ভারতের নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজধানী দিল্লিতে নজিরবিহীন ধরপাকড় চালিয়েছে দেশটির পুলিশ। দিনভর অভিযানে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারসহ প্রায় তিন হাজার রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা হালনাগাদের নামে কোটি কোটি ভোটারের নাম বাদ দিয়ে বিশেষ রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে দেশটির ক্ষমতাসীন দল ও নির্বাচন কমিশন।
বিক্ষোভ দমাতে কেন্দ্রীয় দিল্লির যন্তর মন্তরসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে ব্যারিকেড তৈরি ও বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও সেনাসদৃশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। এমনকি শহরের বেশ কিছু স্থানে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করা ছাড়াও গণপরিবহন চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ পুলিশের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে একে মতামত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত বলে অভিহিত করেছেন। ঘটনার পর ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ভারতজুড়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও জোরালো রূপ নিয়েছে।























