Dhaka ০৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশি পাটপণ্যে ভারতের একের পর এক নতুন শুল্ক আরোপ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০১:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৮ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত পাট ও পাটজাত পণ্যের ওপর একের পর এক বাণিজ্য-প্রতিকারমূলক শুল্ক আরোপ করছে ভারত। সম্প্রতি বাংলাদেশি পাটপণ্যে টনপ্রতি সর্বোচ্চ ৪৪৫ ডলার অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপের পর একই পণ্যের ওপর কাউন্টারভেইলিং ডিউটি (সিভিডি) এবং প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত পিইটি ফিল্মে নতুন অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্কের সুপারিশ করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। দুটি শুল্কই পুরোপুরি কার্যকর হলে পাটপণ্যে টনপ্রতি অতিরিক্ত শুল্ক দাঁড়াবে ৫৮৫ ডলারে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হুমকির মুখে ফেলবে।

ভারতের বাণিজ্য প্রতিকারবিষয়ক মহাপরিচালক (ডিজিটিআর) বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পাটপণ্যে পাঁচ বছরের জন্য সর্বোচ্চ ১৪০ দশমিক শূন্য ৪ ডলার সিভিডি আরোপের সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে পিইটি ফিল্মে টনপ্রতি সর্বোচ্চ ২১৮ ডলার অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্কের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই পণ্যে অ্যান্টি-ডাম্পিং বহাল থাকার পর পুনরায় ভর্তুকিবিরোধী শুল্ক আরোপকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিধিমালার পরিপন্থী বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশি পাট ও পাটজাত পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার ভারত। মোট রপ্তানির প্রায় ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ যায় দেশটিতে, যার বড় একটি অংশ পাটের সুতা ও টুইন। ভারতে একের পর এক শুল্ক ও বন্দর ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা আরোপ করায় রপ্তানি খাত মারাত্মক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এটিকে ‘দ্বৈত প্রতিকার’ আখ্যা দিয়ে ইতিমধ্যে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক লিখিত আপত্তি জানিয়েছে এবং তদন্ত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান জানিয়েছেন, ভারত সরকারের কাছে বিষয়টি তোলা হলেও তারা প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়েছে। পরবর্তী দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ এ বিষয়ে জোরালো আলোচনা করবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বিরোধ নিষ্পত্তি কাঠামোর আশ্রয় নেওয়ার পাশাপাশি বিকল্প বৈশ্বিক বাজার খোঁজার তাগিদ দিয়েছেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশি পাটপণ্যে ভারতের একের পর এক নতুন শুল্ক আরোপ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০১:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত পাট ও পাটজাত পণ্যের ওপর একের পর এক বাণিজ্য-প্রতিকারমূলক শুল্ক আরোপ করছে ভারত। সম্প্রতি বাংলাদেশি পাটপণ্যে টনপ্রতি সর্বোচ্চ ৪৪৫ ডলার অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপের পর একই পণ্যের ওপর কাউন্টারভেইলিং ডিউটি (সিভিডি) এবং প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত পিইটি ফিল্মে নতুন অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্কের সুপারিশ করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। দুটি শুল্কই পুরোপুরি কার্যকর হলে পাটপণ্যে টনপ্রতি অতিরিক্ত শুল্ক দাঁড়াবে ৫৮৫ ডলারে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হুমকির মুখে ফেলবে।

ভারতের বাণিজ্য প্রতিকারবিষয়ক মহাপরিচালক (ডিজিটিআর) বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পাটপণ্যে পাঁচ বছরের জন্য সর্বোচ্চ ১৪০ দশমিক শূন্য ৪ ডলার সিভিডি আরোপের সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে পিইটি ফিল্মে টনপ্রতি সর্বোচ্চ ২১৮ ডলার অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্কের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই পণ্যে অ্যান্টি-ডাম্পিং বহাল থাকার পর পুনরায় ভর্তুকিবিরোধী শুল্ক আরোপকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিধিমালার পরিপন্থী বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশি পাট ও পাটজাত পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার ভারত। মোট রপ্তানির প্রায় ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ যায় দেশটিতে, যার বড় একটি অংশ পাটের সুতা ও টুইন। ভারতে একের পর এক শুল্ক ও বন্দর ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা আরোপ করায় রপ্তানি খাত মারাত্মক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এটিকে ‘দ্বৈত প্রতিকার’ আখ্যা দিয়ে ইতিমধ্যে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক লিখিত আপত্তি জানিয়েছে এবং তদন্ত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান জানিয়েছেন, ভারত সরকারের কাছে বিষয়টি তোলা হলেও তারা প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়েছে। পরবর্তী দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ এ বিষয়ে জোরালো আলোচনা করবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বিরোধ নিষ্পত্তি কাঠামোর আশ্রয় নেওয়ার পাশাপাশি বিকল্প বৈশ্বিক বাজার খোঁজার তাগিদ দিয়েছেন।